সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫,
১ পৌষ ১৪৩২
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫
শিরোনাম: ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে সোমবার      ছাত্ররাই দেশকে হানাদার ও স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্ত করেছে : হান্নান মাসউদ      বাঁচল বহু প্রাণ : সিডনির হামলাকারীর অস্ত্র কেড়ে নিলেন নিরস্ত্র ব্যক্তি      তফসিল ঘোষণার পরদিন এমন ঘটনা মাথায় বাজ পড়ার মতো : সিইসি      হাদিকে গু‌লি ক‌রে ফয়সাল, মোটরসাইকেল চালায় আলমগীর      হাদির ওপর হামলাকারী মূল আসামি দেশেই আছে : ডিএমপি      সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে নিহতসহ ১৪ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ      
ইতিহাস ও এতিহ্য
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্য রেডিওর ব্যবহার
সনৎ চক্র বর্ত্তী
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৩০ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

একসময় রেডিও ছিল তথ্য জানার প্রধান উৎস এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, কিন্তু স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট-এর সহজলভ্যতার কারণে রেডিওর ব্যবহার নেই বললেই চলে। রেডিও ছিল একটা সময় শহর কিংবা গ্রামে খুবই জনপ্রিয়। আধুনিকতার ছোঁয়া হলেও বর্তমানে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে যন্ত্রটি। অনেকের বাসায় রেডিও থাকলেও এখন আর কেউ যন্ত্রটি দিয়ে গান কিংবা অনুষ্ঠান শোনেন না। আগে মানুষ রেডিওর মাধ্যমে বিনোদন, সংবাদ সবকিছুই জানতো।

টেলিভিশন আবিস্কারের পর আস্তে আস্তে শহর এলাকায় রেডিওর ব্যবহার কমতে থাকলেও গ্রামে তার ব্যবহার কমেনি। কিন্তু আজ সময়ের ব্যাপ্তিকালে রেডিও একবারেই বিলুপ্ত হয়েছে।

রেডিওতে শুধু শোনার ব্যবস্থা থাকার কারণে তার গুরুত্বও বেশ ছিলো। এক কথায় বলতে গেলে তথ্য জানার জন্যে সকলেই কান পেতে থাকতো। গ্রামের ঘরে ঘরে ছিলো রেডিও।

এছাড়াও সরকারি উন্নয়ন, পরিকল্পনা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সংস্কৃতি, আবহাওয়াসহ চলমান বিভিন্ন তথ্যবহুল সংবাদ জানার ও বিনোদনমূলক বিভিন্ন গান শোনার একমাত্র মাধ্যমই ছিলো রেডিও। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পট-পরিবর্তনে তথ্য সরবরাহের কাজ করেছে রেডিও।

মধুখালি রেল স্টেশনে সামনে থেকে কথা হয় ৭০ বছর বয়সী মকবুলের সাথে তিনি বলেন, ‘আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন আমাদের গ্রামের এক বাড়িতে রেডিও ছিল। সেখানে সন্ধ্যার পরই আমরা বসে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন গান, নাটক, পালা ও খবর শুনতাম।’তিনি আরো বলেন, ‘গেল কয়েক বছর ধরে মোবাইল, টেলিভিশন এর কারচ হারিয়ে গেছে রেডিও। এখন রেডিও কথা মনে পরে না।’

বোয়ালমারী উপজেলার ময়না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কালিপদ চক্র বর্ত্তী বলেন, খবরের জন্য একসময় বিবিসি বাংলা রেডিও ছিল অসংখ্য মানুষের ভরসার নাম। সকাল, সন্ধ্যা ও রাতে রেডিও নিয়ে বসে থাকত মানুষ। স্টেশন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বিবিসি বাংলা ধরাতে বেগও পেতে হতো। বেজে উঠত ‘বিবিসি বাংলা’।

তিনি আরো বলেন, একসময় রেডিও ছিল আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। দেশের গান, সংবাদ, বিনোদন, চিঠির প্রাপ্তি শিকার এর মাধ্যমে শৈশবের রঙিন ও মধুর সময় গুলো কেটেছে রেডিওর সাথে। রেডিও শোনার মাধ্যমে অনেক কিছু জেনেছি। বর্তমান  মানুষের জীবন ধারায় পরিবর্তন এসেছে। রেডিও আর এখন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়। মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েছে এখন মোবাইল ফোন। রেডিও হারিয়ে ফেলেছে তার সেই পুরনো ঐতিহ্য।

কেকে/ এমএস
মতামত লিখুন:

সর্বশেষ সংবাদ

মৌলভীবাজার-৪ আসনের প্রার্থীর ওপর হামলা
জামায়াতের পথসভায় অংশ নিয়ে বরখাস্ত হলেন পুলিশ কর্মকর্তা
রায়হানকে চিকিৎসায় সহায়তা দিল দশমিনা হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল জাতিকে পঙ্গু করার সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র : হাজী ইয়াছিন
বগুড়ায় কনস্টেবলের কাছ থেকে খোয়া গেছে ১০ রাউন্ড গুলি

সর্বাধিক পঠিত

ঈশ্বরগঞ্জে মৃত্যুশয্যায় অসুস্থ ভাইকে দেখতে এসে হামলার শিকার
দর্শনার কেরু চিনিকলের সাবেক এমডিসহ দশ কর্মকর্তাকে শাস্তি
ছাত্ররাই দেশকে হানাদার ও স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্ত করেছে : হান্নান মাসউদ
দামুড়হুদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষোভ
সোনাইমুড়ীতে ফসলি জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

ইতিহাস ও এতিহ্য- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close