কৃষি জমিতে পুকুর কাটার হিড়িক

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি / ৭:১৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪,২০২০

চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা জুড়ে আবাদি ফসলি জমি কেটে পুকুর কাটার হিরিড় পড়েছে। এদিকে ফসলি জমি কেটে পুকুর তৈরি করার ফলে কৃষকের সর্বনাশ হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

প্রতি বছরেরই এ উপজেলায় শতশত বিঘা আবাদি ও ফসলি জমি কেটে যত্রতত্র পুকুর কাটায় জলাবদ্ধতার ফলে অনেক কৃষক সঠিক সময়ে সরিষা, ভুট্টা, গম ও ধান চাষ করতে পারছেনা। আবার সামান্য বৃষ্টিতে পানি বের হতে না পারায় আবাদি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার তাড়াশ সদর ইউনিয়নের সোলাপাড়া, বোয়ালিয়া কাউরাইল, খুটিগাছা, নওগাঁ ইউপির ভায়াট, খালখুলা, চৌপাকিয়া, বানিয়াবহু, মহিষলুটি, বিরৌহালী, পংরৌহালী, কালুপাড়া, সাস্তান, শ্রীকৃঞ্চপুর, মাধাইনগর ইউপি, সগুনা ইউপিতে এস্কাভেটর মেশিন (ভেকু) দিয়ে শত শত বিঘা আবাদি জমি কেটে পুকুর খননের কাজ চলছে। এ যেন মহাযজ্ঞ কর্মকাণ্ড চলছে ফসলি জমিতে। প্রভাবশালী ও অবৈধ মুনাফা লোভীরা বিভিন্ন উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করে রাতদিন হরদম পুকুর খনন করছে।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, অসাধু ব্যক্তিরা বেশি মুনাফার লোভ দেখিয়ে জমি মালিকদের ভূমির শ্রেণির পরিবর্তন না করেই আবাদি জমিতে পুকুর কাটতে উৎসাহিত করছেন। একদিকে যেমন কৃষি জমি কাটার ফলে দেশের খাদ্যের চাহিদার ঘাটতি পড়ছে তেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, গত পাঁচ বছরে এ উপজেলায় ২৪০০ বিঘা আবাদি জমি কমে গিয়েছে। এতে দেশে খাদ্য চাহিদানুযায়ী ঘাটতি পড়ছে। কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত পুকুর কাটা বন্ধ করতে হবে। আর তা না হলে খাদ্যর ঘাটতি পড়বে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। যখনই কোন অভিযোগ পাই তখনই অভিযান চালিয়ে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সম্পাদক : ড. কাজল রশীদ শাহীন
প্রকাশক : মো. আহসান হাবীব

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-১৮-বি, বাড়ি-২১, সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা
ফোন : বার্তা-৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৭, মফস্বল-৯৮২২০৩৬
বিজ্ঞাপন-৯৮২২০২১, ০১৭৮৭ ৬৯৭ ৮২৩,
সার্কুলেশন-৯৮২২০২৯, ০১৮৫৩ ৩২৮ ৫১০
Email: editorkholakagoj@gmail.com
            kholakagojnews7@gmail.com