করোনাকালেও থেমে নেই উন্নয়ন

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২১ | ১৩ মাঘ ১৪২৭

করোনাকালেও থেমে নেই উন্নয়ন

মোহাম্মদ নজাবত আলী ১২:১৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২০

print
করোনাকালেও থেমে নেই উন্নয়ন

বর্তমানে বিশ্বে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। গত মার্চ থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত করোনা মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। সারা বিশ্বের উন্নয়নের ধারা করোনার কারণে বাধাগ্রস্ত। কিন্তু বাংলাদেশ উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে নেই। করোনাকালেও বাংলাদেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নানা পরামর্শ ও নির্দেশনায় করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের হার তুলনামূলক কম। এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে করোনা তেমন কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি।

বর্তমানে বিশ্ব যখন স্থবির, উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত বাংলাদেশ তখন থেমে নেই। উন্নয়ন ও অগ্রগতির লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু করোনাকালে উন্নয়নের ধারা অব্যাহতই নয়, শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা, অন্তর্দৃষ্টি, সময়োচিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও দিকনির্দেশনায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার অনেক কম। একদিকে করোনা মোকাবিলা অন্যদিকে দেশটির উন্নয়ন অব্যাহত প্রায় ১৮ কোটি মানুষের যাপিত জীবন স্বাভাবিক রাখাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ, বিশ্ব নেতাদের প্রশংসা অর্জন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ দুর্যোগকালে প্রায় ১৮ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা জীবন রক্ষা ও দেশের অগ্রগতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের গৃহীত ছোট-বড় বিভিন্ন প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে শেখ হাসিনা করোনাকালেও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন যা অস্বীকারের উপায় নেই। পদ্মাসেতু আমাদের গৌরব, স্বপ্ন ও অহংকার অর্থনীতির নতুন দিগন্ত। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ থেমে নেই। দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ও কর্মদক্ষ হচ্ছে পদ্মাসেতু। এ বৃহৎ প্রকল্পের বেশিরভাগ কাজই ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। পদ্মাসেতু শুধু দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের উন্নয়নই ঘটাবে না, এ সেতু সমগ্র দেশবাসীর স্বপ্ন ও অর্থনীতির দ্বার উন্মোচন করবে। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতায় স্বপ্নের পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ পুরোদমে চলছে।

স্বাধীনতার ৪৯ বছরে নানা পথ পরিক্রমায় দেশটি উন্নয়নের পথে। স্বাধীনতার ৪৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধির পথে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বহির্বিশে^র বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশংসা অর্জন করেছে। মানুষের জীবনযাত্রা উন্নতির পথে। গড় আয়ু বেড়েছে, কমেছে শিশুমৃত্যুর হার। মানুষের আয় বেড়েছে। এক সময় উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় মঙ্গা নামক শব্দটি জনগণ ভাগ্যের লিখন বলে মনে করলেও সে উত্তর জনপদে মঙ্গার অস্তিত্ব আর নেই। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকা- ও সুষ্ঠু কর্ম পরিকল্পনায় দেশ এখন উন্নয়নের পথে এগিয়ে। কৃষি, শিল্প, শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। বিশেষ করে নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে প্রশংসা অর্জন করলেও নারী নির্যাতন বন্ধ হয়নি। প্রতি বছর শিক্ষার হার বাড়ছে। শিক্ষিত জনগোষ্ঠী সৃষ্টি হলেও দক্ষ মানবসম্পদ এবং শিক্ষার মান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন রয়েছে। কৃষিতে বিপ্লব ঘটেছে। অধিক খাদ্য উৎপাদনের ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি উপকরণের সহজলভ্য ও প্রাপ্ততায় কৃষি উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও অধিকাংশ সময় কৃষকরা ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হলে তাদের মধ্যে বলতে দ্বিধা নেই একধরনের অস্বস্তি রয়েছে। কৃষকরা রোদ, বৃষ্টি, ঝড় উপেক্ষা করে খেতখামারে দিনরাত পরিশ্রম করে ফসল ফলান। তারা ন্যায্য মূল্য পাবেন না বিষয়টি দুঃখজনক। তাই কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তা না হলে আমাদের কৃষক সমাজের উন্নয়ন হবে না। কারণ বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম। এ খাতের উন্নয়ন হলেও এ খাতের সঙ্গে যারা জড়িত সে অবহেলিত কৃষক সমাজের তেমন উন্নয়ন ঘটেনি। দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। বর্তমান সরকারের আমলে খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতার যে ইতিহাস রচিত হয়েছে এর সিংহভাগ কৃতিত্ব কৃষক সমাজের। ফলে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতির ধরন। কৃষির উন্নয়নের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন হচ্ছে। ফলে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির সঙ্গে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির পথে হাঁটছে বাংলাদেশ।

এ দেশের মানুষ খুবই কষ্টসহিষ্ণু। তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রাণান্তর চেষ্টায় বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। দেশি-বিদেশি নানা কাজে নিয়োজিত থেকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরার ভূমিকায় পালন করছে বিদেশে কর্মরত প্রায় ৮০ লাখ কর্মজীবী নারী-পুরুষ। করোনাকলেও তাদের প্রেরিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে ভারী করছে। শত প্রতিকূলতার মাঝেও বাংলাদেশকে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর শক্তি জোগাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের কর্মরত শ্রমিকরা তাদের পাঠানো অর্থ একদিকে তাদের পরিবারকে স্বাচ্ছন্দ্যে রাখছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভীতকে মজবুত করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের জনশক্তি রপ্তানিতে যেসব দেশে নিয়মকানুন বা বাধা বিপত্তি রয়েছে তা দূর করে জনশক্তি রপ্তানিতে স্বচ্ছতার প্রতিষ্ঠার যে প্রয়াস চলছে তা অব্যাহত রাখতে হবে। কেননা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তাদের কর্মপ্রচেষ্টা ও বৈদেশিক অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

যে বাংলাদেশকে একসময় তলাবিহীন ঝুড়ি বলা হতো কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় আর এই বাংলাদেশ সেই বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশ এখন সমৃদ্ধির পথে। বর্তমান বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি। এ বিপুল জনগোষ্ঠীকে যদি প্রকৃত শিক্ষা, মনন, মেধায় গড়ে তোলা যায় তাহলে তারা হবে দেশের সম্পদ। কারণ মানুষের শ্রম মেধা কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সম্ভব। তাই বিপুল জনগোষ্ঠীকে যদি সত্যিকার অর্থে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা যায় তাহলে বাংলাদেশ দ্রুত উন্নত রাষ্ট্রের সারিতে পৌঁছে যাবে। এজন্য প্রয়োজন একটি সুচিন্তিত মানবসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তিনির্ভর কারিগরি শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের পথ সৃষ্টি করা।

করোনার প্রথম দিকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন। কিন্তু পর্যায়ক্রমে পোশাকশিল্প চালু করা হলে এ শিল্প ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়। এবং আমাদের তৈরি পোশাকশিল্প খাত জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শুরু থেকেই বাংলাদেশের পোশাক বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। হাঁটি হাঁটি পা পা করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রশংসা অর্জনের পাশাপাশি ক্রমান্বয়ে এর চাহিদাও বাড়ছে। এই শিল্প আমাদের দেশের বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থা করেছে। একই সঙ্গে অর্জন করছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা যা আমাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে। তবে করোনার কারণে এ শিল্পে কিছুটা মন্দাভাব দেখা দেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পোশাক শিল্পের তৈরি পোশাক বিদেশে রপ্তানির অর্থ জাতীয় অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। সুতরাং আমরা বলতে পারি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন শ্রমিকের পাঠানো রেমিটেন্সের পর বৈশ্বিক মুদ্রা আয়ের সবচেয়ে বড় খাত পোশাকশিল্প। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক দেশের অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কী রূপ অবদান রাখছে। এককথায় বলতে গেলে বাংলাদেশে রেমিটেন্সের পর বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সবচেয়ে বড় খাত পোশাকশিল্প। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে এ শিল্পকে শীর্ষে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে কিছু অসুবিধা, প্রতিবন্ধকতা রয়েছে যা দূর করা জরুরি। উপযুক্ত কর্মপরিবেশের অভাব, শ্রমিক ছাঁটাই, বেতন নিয়ে আন্দোলন ইত্যাদি। কিন্তু এত কিছু অসুবিধার মধ্যেও এ শিল্প বহিঃবাণিজ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। বাংলাদেশকে তুলে ধরেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে এ শিল্পের আরও বিকাশ ঘটাতে হলে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা দূরীকরণের উদ্যোগ নিতে হবে। পোশাক শিল্পে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দূর করতে পারলে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি ও দেশের অগ্রগতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। সুতরাং এ শিল্পের যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে তা যে কোনো মূল্যে এ সম্ভাবনাকে আরও বাড়াতে হবে।

সুতরাং কৃষিশিল্প, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগোচ্ছে। গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ, রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থার প্রকৃত উন্নয়ন ঘটছে। স্বাধীনতার ৪৯ বছরে দেশের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় প্রকল্পগুলোর কোনোটির বাস্তবায়ন হয়েছে কোনোটি বাস্তবায়নের পথে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এ অগ্রযাত্রা এখন বিশ্বব্যাপী সমাদৃত, বিশ^ব্যাংকের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পা দিয়েছে। প্রায় অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। করোনার কারণে আমদের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে গেলেও খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, পুষ্টিহীনতা দূর করা ও দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনার দিক থেকে শক্তিশালী ভারত পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। আমরা দেশের উন্নয়ন চাই। এ নিয়ে কোনো বিতর্ক, দ্বিধা-দ্বন্দ্বের অবকাশ নেই। উন্নয়ন চাই এ কথা যেমন ঠিক। তেমনি দুর্নীতিমুক্ত, সুষম ও সমতাভিত্তিক সমাজ চাই। কেননা দুর্নীতি যেকোনো দেশের উন্নয়নের বড় বাধা। যেভাবে বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতি, অনিয়ম, বিভিন্ন অপকর্ম চলছে তার লাগাম টেনে ধরতে পারলে বাংলাদেশ আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাবে এতে সন্দেহ নেই। করোনা যেন দুর্নীতিবাজদের কপাল খুলে দিয়েছে! কেননা করোনাকালে বাংলাদেশে দুর্নীতি বা বিভিন্ন অপকর্ম অনিয়ম যেন বেড়েই চলেছে। যেকোনো মূল্যে তা রোধ করে দেশের উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত উন্নয়ন ঘটাতে হবে গ্রামীণ অর্থনীতির। প্রান্তিক চাষ, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন সর্বজনীন হবে না। যারা খাদ্যের জোগানদাতা তাদের সমস্যা অনুধাবন করতে হবে সরকারকে। সরকারকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রান্তিক কৃষক, গ্রামীণ জনগোষ্ঠী তথা কৃষক সমাজের মুখে হাসি ফোটাতে না পারলে সরকারের উন্নয়ন ঢাকা পড়ে যাবে।

বর্তমান দেশে যে গণতন্ত্র রয়েছে সে গণতন্ত্রকে আরও বিকশিত করতে হবে, প্রসার ঘটাতে হবে। কেননা সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার মাধ্যমে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ঘুষ, দুর্নীতি কঠোরভাবে দমন করার কোনো বিকল্প নেই। পাশাপাশি সামাজিক ন্যায় বিচার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে এগিয়ে যেতে হবে।

মোহাম্মদ নজাবত আলী : শিক্ষক ও কলাম লেখক
tnalichs@gmail.com