ঢাকা, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

নার্সিজম বা আত্মমুগ্ধতা একটি মানসিক ব্যাধি

সামিয়া আসাদী
🕐 ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৮, ২০২৩

নার্সিজম বা আত্মমুগ্ধতা একটি মানসিক ব্যাধি

শুরু করতে চাই নার্সিসাসের গল্প দিয়ে। গ্রিক পুরাণে সর্বোচ্চ সৌন্দর্যের অধিকারী পুরুষদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এ নার্সিসাস। নিজের প্রতিবিম্ব না দেখলেও নিজের সৌন্দর্য নিয়ে নার্সিসাসের ছিল প্রচন্ড অহঙ্কার। কেবল পৃথিবীর নারীরাই নয়, স্বর্গের দেবীরাও তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিলেন। নিজের সৌন্দর্যে বিমোহিত নার্সিসাসকে আপন করে পেতে চাইতেন অনেক নারীই। কিন্তু নিজ প্রেমে মত্ত নার্সিসাস কাউকেই নিজের যোগ্য ভাবতেন না। কেবল মানবী নয়, তার প্রত্যাখ্যানের তালিকায় বেশ কয়েকজন দেবীও ছিলেন।

 

দেবীদের প্রত্যাখ্যান করায় নার্সিসাসের ওপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হলেন প্রতিশোধের দেবী নেমেসিস। তিনি অভিশাপ দিলেন এই বলে যে, নার্সিসাস যাকে ভালোবাসবে তাকে কোনো দিনও পাবে না। আর এ না পাওয়ার আগুনে দগ্ধ হয়েই নার্সিসাসকে জীবন দিতে হবে। আপন প্রেমে মত্ত নার্সিসাস কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই মনের আনন্দে বনে ঘুরে বেড়ায়। ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় এক স্বচ্ছ জলাধারের সামনে। স্ফটিক স্বছ জলে চোখ যেতেই সুপুরুষ জলদেবতাকে দেখে জীবনে প্রথমবারের মত মুগ্ধতায় আচ্ছাদিত হন নার্সিসাস। আদতে নিজের প্রতিবিম্ব দেখে ধোকা খাওয়া নার্সিসাস নিজেই নিজের প্রেমে পড়ে যান। নার্সিসাসের এ আত্মপ্রেম থেকেই নার্সিজম শব্দের প্রচলন যা আজকের আলোচ্য বিষয়। গল্পের বাকি অংশ আলোচনায় আসবে লেখার শেষের দিকে।

নিজেকে কে না ভালোবাসে! আত্মপ্রেম বড় প্রেম যদি না তা সীমা অতিক্রম করে। নিজকে ভালোবেসে নিজের যত্ন নেওয়া বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন। নিজের জন্য সময় বের করা, যে কাজগুলো শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো থাকার রসদ যোগাবে সে কাজগুলো চর্চা করা জরুরি। তবে সমস্যার সৃষ্টি হয় তখনই যখন আত্মপ্রেম সংক্রান্ত অস্বাভাবিক আচরণে ছেঁয়ে যায় পুরো সত্তা। “মুই কি হনুরে” ভাব মগজে ধারণ করে অন্যদের তুচ্ছ ভাবা। কেবলই আমিময় জীবনে থাকা। আশপাশের মানুষের ভাল-মন্দের ব্যাপারে উদাসীন হলেও নিজের বেলায় ষোলো আনা বোঝা এ গোষ্ঠী আদতে ভুগছেন নার্সিজমে। মূলত নার্সিজম বা আত্মমুগ্ধতা একটি মানসিক ব্যাধি। কম বেশি সব মানুষের ভিতরে একটু-আধটু আত্মমুগ্ধতা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত আত্ম-মুগ্ধতায় ভোগা ও তা জারি রাখার জন্য নানা অস্ত্রের মোক্ষম ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি আমি বা আপনিও ঐ কাতারে আছি কিনা তা যাচাই করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

নার্সিসিস্ট কারা...
ধরুন কোনো অনুষ্ঠানে গিয়েছেন, সেখানে যদি এমন বিশেষ কাউকে দেখেন তিনি শুধু নিজের ঢোল পিটিয়ে যাচ্ছেন। কেবল নিজের আর পরিবারের সম্পর্কে গালভরা বুলি আওরাচ্ছেন। তিনি আশা করছেন, ডিউটিফুল শ্রোতা হিসেবে আপনি তার সব কথাতে হ্যাঁ..হ্যাঁ করে যাবেন। কারণ কোনো বিকল্প বা বিরুদ্ধ মন্তব্য তিনি নিতে পারেন না। তিনি আসলে রেড জোনে আছেন। সুপেরিয়র কম্পলেক্সিটিতে ভুগছেন যা নার্সিজমের লক্ষণ। আরো খেয়াল করে দেখবেন খাবার টেবিলে বসে তিনি হয়তো বলে বসতে পারেন তার এবং তার পরিবারের পাতে যেন মুরগীর লেগ পিস দেয়া হয়। মোট কথা, ঐ অনুষ্ঠানে হোস্টের কাছ থেকে বিশেষ আতিথেয়তা আশা করতে থাকেন ও আদায় করে নেন।

আত্ম-মুগ্ধতায় বসবাসকারীদের মধ্যে অনেক সময় অন্যদের খুশি করার প্রবণতাও দেখা যায়। নিজেদের বেশ সামাজিক ভাবতে ও ভাবাতে পছন্দ করেন। দামী রেস্টুরেন্টে খাওয়ানো, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া কিংবা আপনার পারিবারিক কোনো সমস্যার সমাধানের জন্য পরামর্শকের ভূমিকা পালন করা, এক কথায় “লাভ-বম্বিং” করতে থাকেন। মোট কথা এত ভালোবাসার বর্ষণে আপনার মনে হতেই পারে আপনার জীবনের সব সমস্যার সমাধান তো ওনার হাতেই। ভাবছেন, এতে সমস্যা কোথায়! উনিতো ভাল কাজ করছেন। কাউকে সাহায্য করা বা খুশিতে রাখার চেষ্টাতো ইতিবাচক প্রচেষ্টা। আলবত! উপোরোক্ত আচরণগুলো প্রশংসনীয়, যদি না এর পেছনে কোনো কিন্তুর অবকাশ না থাকে। সাহায্য করার নামে প্রথমে মন জয় করা ও পরবর্তীতে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া নার্সিসিস্টদের আরো একটি কৌশল। “আপনি যা বলেন আসলে তাই ঠিক” বা “আমি আপনার অন্ধ ভক্ত”-ঠিক এমন মন্তব্যই আশা করতে থাকেন এরা। এভাবে যখন অপর পক্ষ তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে তখনই থলের বিড়াল বের হয়ে আসে। পরবর্তী ধাপে নিজের মতামত চাপিয়ে দিতে থাকেন সুকৌশলে। আপনি কি খাবেন, কোথায় যাবেন, কার সাথে মিশবেন এমন খুঁটি-নাটি সব বিষয়ে নাক গলাতে শুরু করেন।

নার্সিসিস্টরা প্রায়ই বলতে থাকে, “আমি এত ভালো কেন? সবাই আমাকে বলে আমি এত ভাল কেন”! ওনার ভালোমানুষিতে উনি এতই মুগ্ধ যে নিজের স্তুতি নিজেই গাইছেন। আত্মপ্রচারণার জন্য নিজেই মাঠে নেমে গেছেন। বন্ধুর তালিকায় কেবল সেই সুজনরাই ঠাঁই পান যারা কেবল প্রশংসা করতে পারেন ওনার। গঠনমূলক সমালোচনা বা আত্ম-উন্নয়নের একেবারে বিপরীতে অবস্থান করেন। হয়তো বন্ধুকে অল্প কিছু টাকা ধার দিয়েছেন কিংবা একবেলা আত্মীয়কে দাওয়াত করে খাইয়েছেন। এর বিনিময়ে পাহাড় সমান প্রশংসা দাবি করে বসতে পারেন। সবসময় নিজের ইগোর হুকুমকে প্রাধান্য দিয়ে চলেন। নিজ অভিধানে নিজ বন্দনার বাইরে কোনও শব্দের অস্তিত্ব নেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অন্যের প্রতি সত্যিকারের সহানুভূতি তেমন একটা কাজ করে না। নিজের অতিরিক্ত প্রশংসাপ্রার্থীরা কেবল নিজেকেই ভালোবাসে। অন্যের অনুভূতি কিংবা সুবিধা-অসুবিধাকে এড়িয়ে চলাই স্বভাবজাত।

“গ্যাসলাইটিং” আত্মপ্রেমীদের আরো একটি অন্যতম অস্ত্র। এক্ষেত্রে, পরিকল্পিতভাবে নার্সিসিস্ট কাউকে আক্রমণ করে উত্তেজিত করতে থাকে। টার্গেট উত্তেজিত হয়ে গেলে টুপ করে টার্গেটের ওপর দোষ চাপিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতি থেকে মজা নেন। ধরুন, একজন মিতব্যয়ী মানুষকে টার্গেট করেছেন কোনো নার্সিসিস্ট। তাকে প্রথমে কিপটা, ছোট লোক ইত্যাদি বলে উত্তেজিত করার চেষ্টা করা হয়। তিনি হয়তো বেশ কয়েকবার বিষয়টাকে ফান মনে করে হেসে উড়িয়ে দিলেন। এ পর্যায়ে নার্সিসিস্ট বার বারই একই কথা ঘুরিয়ে-প্যাচিয়ে বলতেই থাকে। স্বাভাবিকভাবেই একপর্যায়ে গিয়ে টার্গেট রেগে যান। তার এ রাগ করাকে পুঁজি করে নার্সিসিস্ট বলতে শুরু করেন-“আপনার সাথে তো কথাই বলা যায় না। কথায় কথায় মাইন্ড করেন আপনি। আমি তো মজা করছিলাম। আপনি খামোখা চটে গেলেন।” ভাবখানা এমন যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর উনি ধোয়া তুলসি পাতা। আসলে তো রীতিমতো এব্যুজারের ভূমিকা পালন করছেন তিনি।

নিজের অবস্থান সবার উপরে এমন ভাবনাতেই এদের চরম সুখ। নিজেদের প্রতিভা, সাফল্য নিয়ে চরম ফ্যান্টাসিতে ভোগে। অন্যদের প্রতিভা, সাফল্যকে থোরাই কেয়ার করে চলে। ভাবতে পছন্দ করে আশপাশের সবাই তার সাফল্যে ঈর্ষান্নিত। আদৌতে কিন্তু উল্টো। অন্যের প্রতি ঈর্ষার অস্তিত্বকে তারা মানতে চায় না। নিজেকে সান্তনা দেবার হাতিয়ার হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে সবাই তার প্রতি ঈর্ষান্নিত। যা তাকে আদিম সুখ দেয়। আর এ সুখের ভেলায় ভেসে অন্যদের প্রতি নিষ্ঠুরতা ও অ্যাবিউসিভ আচরণ করতে থাকেন।

কেন নার্সিজম?
ছোটবেলায় বাবা-মার কাছ থেকে অতিরিক্ত ভালোবাসায় যারা বেড়ে ওঠেন তাদের মধ্যে এ প্রবণতা দেখা যায়। ছোটবেলা থেকে সব কাজে প্রশংসা পেতে পেতে বড় হয়েছেন। কখনো সমালোচনার সম্মুখীন হননি। ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া হয়নি। ফলে ভুল থেকে কীভাবে শিক্ষা নেয়া যেতে পারে তা শিখেননি। আত্মমুগ্ধতার শুরু সেখান থেকেই। অন্যদিকে, অতিরিক্ত সমালোচনা আর তিরস্কাওে বেড়ে উঠেছে যাদের শৈশব তারাও নার্সিজমে ভুগতে পারেন। কেউ কেউ বংশগতভাবেই এ মানসিক রোগ নিজের ভিতর লালন করে চলেন। আমাদের চারপাশের সমাজ ব্যবস্থা, জীবন যাপনও নার্সিজমকে উস্কে দেয়। শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবতে অনুপ্রেরণা যোগায়। স্মার্ট ফোন দিয়ে নিজের ছবি (সেল্ফি) তুলছি নিজেই। অনলাইনে শপিং করছি ঘরে বসে। যে কোনো তথ্যের প্রয়োজনে গুগল, চ্যাটজিপিটি সব তৈরি করে দিচ্ছে চোখের পলকে। আমরা কত আত্মনির্ভরশীল! তা ভেবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছি। অথচ এসবের ভিতর দিয়ে যে কেবল “আমি আমি” চর্চা জারি রেখেছি সেদিকে দৃষ্টি নেই আমাদের। কেবল ‘আমি’! ‘আমরা’ কেন নয়? এমন প্রশ্ন বড্ড অবান্তর যেন এ সমাজে। হবেই বা না কেন! চারপাশের সিস্টেম তো আমাদের আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রেখেছে আমিত্বের চর্চা জারি রাখার জন্য। স্রোতের বিপরীতে এখানে হাঁটা যে বড্ড বেমানান।

প্রতিকার কীভাবে?
প্রথমত: স্বীকার করা। আপনার ভিতর নার্সিজমের লক্ষণ রয়েছে, আপনি তা ধরতে পারছেন এবং প্রতিকার চাচ্ছেন। এ মানসিকতা যতক্ষণ না তৈরি হচ্ছে প্রতিকার কোনোভাবেই সম্ভব নয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, নার্সিসিস্টরা মনেই করেন না তারা এ মানসিক রোগে আক্রান্ত।
দ্বিতীয়ত: নার্সিজম সম্পর্কে জানুন। এর সবল-দুর্বল দিক চিহ্নিত করুন। আপনি যখন বিষয়টি সম্পর্কে জানবেন তখন সচেতনতা ধীরে ধীরে তৈরি হতে শুরু করবে।
তৃতীয়ত: নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। কোথায় থামতে হবে সেই কৌশল রপ্ত করুন। অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করা আপনার কর্ম নয়। কেউ পরামর্শ চাইলে ভিন্ন কথা। আপনার পরামর্শে কারো জীবন বদলে যাবে এমন চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলুন।
চতুর্থত: দোষে-গুণে মানুষ। কাজেই আপনার যেমন অনেক গুণ রয়েছে তেমন কিছু দোষ থাকাও স্বাভাবিক। নিজের সম্পর্কে ইতিবাচক সমালোচনাকে নিতে শিখুন।
পঞ্চমত: অনেক সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পরে কিংবা সমস্যার সমাধান আমাদের হাতে থাকে না। নার্সিজম থেকে মুক্তি পেতে বিহেভিয়ারাল থেরাপি এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। গ্রুপ থেরাপি, ফ্যামেলি থেরাপি, কগনেটিভ বিহেভিয়ারিয়াল থেরাপিসহ নানা ধরনের পেশাদারি সহায়তা নিতে পারেন।

শেষ করতে চাই, লেখার শুরুর গল্পের শেষ অংশের মাধ্যমে। স্বচ্ছ জলে নিজের প্রতিবিম্বকে অন্য একজন সুপুরুষ ভেবে প্রেমে মত্ত হয়ে পড়েছিলেন নার্সিসাস। তার দিন-রাত কাটে জলাশয়ের স্বচ্ছ জলের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে। কিন্তু জলে থাকা প্রাণ ভোমরাকে কিছুতেই যেন ছুঁতে পারে না নার্সিসাস। কারণ জলে হাত দিতেই সব মিলিয়ে যায়। বড্ড মন খারাপ হয় নার্সিসাসের। নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে অধরা প্রেমিকের বিরহে রাত-দিন কাটে জলের দিকে তাকিয়ে। ক্রমান্বয়ে স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে থাকে। সুপুরুষ নার্সিসাস হয়ে পড়েন মলিন আর শীর্ণকায়। এভাবে অপেক্ষা করতে করতে একদিন মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। জলে ভেসে ওঠা নিজেরই প্রতিবিম্বেও প্রেমে মত্ত নার্সিসাসের জীবনের অবসান হয় এভাবেই। আধুনিক সমাজের নার্সিজমের চর্চাও নিজের পায়ে কুড়াল মারার শামিল। প্রয়োজন সচেতনতা ও মনোভাবের পরিবর্তন। নিজেকে ভালোবাসা অন্যায় নয়। তবে নিজেকে নিয়ে অহম বোধ করা, আশপাশের মানুষদের ছোট করা, নিজেকে অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপনের অসুস্থ চর্চা ব্যক্তি, পরিবার বা সমাজ কারো জন্যই শুভকর নয়। এ চর্চা জারি রাখলে নার্সিসাসের মতো পরিণতি যে কারোরই হতে পারে। দৈহিক ক্ষয় দৃশ্যমান। মানসিক ক্ষয় অদৃশ্য। নার্সিজম একই সাথে মানসিক ব্যাধি অন্যদিকে, আমাদের অদৃশ্য শত্রু। চোখে যা দেখা যায় তার চেয়ে না দেখা শত্রু বেশি ভয়ঙ্কর। কাজেই অদৃশ্য বলে অবজ্ঞার উপায় নেই। আমাদের নিজের প্রয়োজনেই নার্সিজমকে না বলা রপ্ত করতে হবে।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগ, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ 

 

 
Electronic Paper