রাত পোহালেই ভোট নওগাঁয়

ঢাকা, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

রাত পোহালেই ভোট নওগাঁয়

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) ১২:০৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০২০

print
রাত পোহালেই ভোট নওগাঁয়

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনে উপনির্বাচন কাল। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। ইতিমধ্যেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। উত্তরবঙ্গে এই প্রথম ভোট নেওয়া হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। যদিও নতুন পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ নিয়ে ভোটারদের মাঝে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সহিংসতাবিহীন পরিবেশ দাবি তাদের। ছোটখাটো দু’একটি সহিংসতা ছাড়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা তিনজন প্রার্থীই তাদের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার কাজ চালিয়েছেন। যার যার মতো করে প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস দিয়েছেন। যদিও পুরাতন ভোটাররা নিরুত্তাপ। তবে তরুণদের মধ্যে ইভিএম নিয়ে ছড়িয়ে আছে বেশ আগ্রহ। এখন ভোট ও ভোট ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছেন তিন প্রার্থী ও তাদের সমর্থক। 

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, আমি দুই উপজেলার মানুষের কাছে অতি পরিচিত মানুষ। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে আমার পরিবার ছিল বাতিঘর। আওয়ামী লীগ করতে গিয়ে আমার এক ভাইকে সর্বহারা দিনে-দুপুরে জবাই করে হত্যা করেছে। আমি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখে এলাকার উন্নয়নে মাদক, বাল্যবিবাহ বন্ধসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসীর পাশে থাকব।

আশা করছি, এলাকার উন্নয়নে যেসব কাজ অসমাপ্ত রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে ও শান্তির সুবাতাস ধরে রাখতে এলাকাবাসী নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নির্বাচনী প্রচারণা শুরু থেকে বাধাসহ নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং হচ্ছে। রানীনগর উপজেলায় আমার কোনো পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন টাঙ্গাতে দেওয়া হয়নি। এমন কি রানীনগর উপজেলাতে আমাকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা কিংবা সভা করতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু আমার জন্মস্থান আত্রাই উপজেলাতে পাশাপাশি রয়েছে নৌকা ও ধানের শীষের পোস্টার ও ব্যানার। যদি নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হয় এবং ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন তাহলে আমি পাহাড় সমান ব্যবধানে বিজয়ী হবো।

অপরদিকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মনোনীত প্রার্থী ইন্তেখাব আলম রুবেল বলেন, সাধারণ মানুষ যদি আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসে তবেই আমি নিজেকে জয়ী মনে করবো। সাধারণ মানুষদের ভোট দেওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমার প্রধান লক্ষ্য।