চাকরি ছেড়ে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি

ঢাকা, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

চাকরি ছেড়ে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:১৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০১৯

print
চাকরি ছেড়ে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতি

রাজধানীর উত্তরায় ডিবি পরিচয়ে আট লাখ টাকা ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ডাকাতদলের তিন সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। গত সোমবার রাতে র‌্যাব-১ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি ওয়ান শুটার গান, একটি প্রাইভেটকার, একটি ওয়াকিটকি ও ডিবি পুলিশ স্টিকারযুক্ত প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, গত ২১ অক্টোবর দুপুরে ভিকটিম মো. মোস্তফা জামান পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, বিমানবন্দর শাখা থেকে তাদের কোম্পানির সাত লাখ ৬৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন।

উত্তোলনকৃত টাকা নিয়ে আইএফআইসি ব্যাংক উত্তরা শাখায় জমা দিতে যাওয়ার সময় উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডের মাথায় অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি প্রাইভেটকারে উঠিয়ে টাকা সড়কে ফেলে যায় ভিকটিমকে। আটকরা হলো-ডাকাত দলের সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু, নূর আমিন মোল্লা ও সজিব আহম্মেদ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। এ সংঘবদ্ধ ডাকাত দলটির স্থায়ী সদস্য ৮-১০ জন। পলাতক আসামি শ্যামল ওরফে সবুজ ওরফে সুলতান ও মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু ডাকাত দলের মূলহোতা। দুজন মিলে ডাকাত দলটিকে নিয়ন্ত্রণ করত। বাচ্চু জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে আগে একটি বেসরকারি ফার্মে চাকরি করত। পরে গার্মেন্টসের সোয়েটার কেনাবেচা করত।

এরপর পলাতক আসামি শ্যামলকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল গঠন করে। সে ডাকাতির জন্য টার্গেট করত এবং ডাকাতির সময় ডিবি কর্মকর্তার মতো বেশভূষা ধারণ করত। নূর আমিন মোল্লা জানায়, পেশায় সে প্রাইভেটকার চালক। ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে ঢাকায় রেন্ট-এ কারে গাড়ি চালানো শুরু করে।

ডাকাতি করার জন্য জব্দকৃত প্রাইভেটকারটি ভাড়ায় নিয়ে আসা হতো। পলাতক আসামি শ্যামলের মাধ্যমে ডাকাত দলে জড়িত হয় সে। সজিব আহম্মেদ মিজানের প্রধান সহযোগী। আগে প্রাইভেটকারের চালক ছিল। পরে চাকরি ছেড়ে ডাকাত দলের সদস্য হয়।