বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
মুদি ও টি-স্টলগুলোতে মিলছে ওষুধ
রংপুরে নিম্নমানের ওষুধের ছড়াছড়ি
রংপুর ব্যুরো
Published : Wednesday, 13 September, 2017 at 11:27 AM
রংপুরে নিম্নমানের ওষুধের ছড়াছড়ি
রংপুর মহানগরীসহ জেলার আট উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজরের আনাচে-কানাচে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ড্রাগ লাইন্সেসবিহীন ওষুধের দোকান। ওষুধ নীতিমালার তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা এসব ওষুধের দোকানে হাত বাড়ালেই মিলছে নিম্নমানের জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও বিক্রি নিষিদ্ধ নানা প্রকার মাদক।
জানা যায়, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি না থাকায় এখন জীবন রক্ষাকারী এসব নিম্নমানের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে পানের দোকান, মুদির দোকান ও টি-স্টলগুলোতে। এমনকি প্রেসক্রিপশন ছাড়াই গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারে পসরা সাজিয়ে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে এসব ওষুধ। ফলে ওষুধ ভোক্তাগণের জীবন সংশয়সহ নানা জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিন বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রংপুর জেলার ৮ উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ছোট-বড় হাটবাজারে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ওষুধের দোকান। এসব দোকানের মধ্যে গুটি কয়েক দোকানের ড্রাগ লাইন্সেস থাকলেও অধিকাংশ দোকানের ড্রাগ লাইন্সেস নেই। ওষুধ দোকানগুলোর মালিকরা বিভিন্ন কোম্পানির নিম্নমানের ওষুধ উচ্চমূল্যে বিক্রি করে অল্পদিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাচ্ছে। এ ছাড়াও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে গড়ে ওঠা পানের দোকান, মুদির দোকান ও টি-স্টলগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে জীবন রক্ষাকারী নানা ধরনের ওষুধ। রাস্তার মোড়ে বসা এসব ওষুধ বিক্রেতারা ওষুধ বিক্রি ও রোগ নির্ণয়ে ন্যূনতম কোনো শিক্ষা বা ধারণা না থাকলেও তারা প্রেসক্রিপশন ছাড়াই দেদার নানা জটিল ও কঠিন রোগের ওষুধ বিক্রি করছেন। ফলে গ্রামাঞ্চলের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ সামান্য অসুস্থ হলেই অজ্ঞ এসব দোকানদারের কাছ থেকে নিম্নমানের ওষুধ কিনে খেয়ে আরো জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
তাম্বুলপুর ইউনিয়নের রহমতের চর এলাকার ৫০ ঊর্ধ্ব বৃদ্ধ আব্দুল করিম মিয়া জানান, বাবা হামরা গরিব মানুষ। ভাল ডাকতারের কাছে গেলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা ফি দেওয়া নাগে।
রংপুর মহানগরীর তামপাট এলাকার আশরাফুল আলম জানান, এমনিতেই খেতে পারি না। ভালো ডাক্তার কীভাবে দেখাবো। তাই বাধ্য হয়ে দোকানদারের ওপর ভরসা করি এই ওষুধ কিনি খাই। রোগ আল্লাই ভালো করবে।
মিঠাপুকুর উপজেলার ঠাকুরবাড়ী ভাংনী বাজারের পল্লী চিকিৎসক শাহিন আলম, সদরের পালিচড়ার পল্লী চিকিৎসক নজরুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
পীরগাছা উপজেলা প প কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোকাদ্দেস জানান, যত্রতত্র ওষুধ বেচা-বিক্রি ও কেনা থেকে বিরত থাকতে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তাহলে মানুষ যেখান-সেখান থেকে ওষুধ কিনবে না।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আহসান হাবীব
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত খোলাকাগজ ২০১৬
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: বসতি হরাইজন এ্যাপার্টমেন্ট নং ১৮/বি, হাউজ-২১, রোড-১৭, বনানী বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১২১৩।
ফোন : +৮৮-০২-৯৮২২০২১, ৯৮২২০২৯, ৯৮২২০৩২, ৯৮২২০৩৬, ৯৮২২০৩৭, ফ্যাক্স: ৯৮২১১৯৩, ই-মেইল : kholakagojnews@gmail.com
Developed & Maintenance by i2soft
var _Hasync= _Hasync|| []; _Hasync.push(['Histats.start', '1,3452539,4,6,200,40,00010101']); _Hasync.push(['Histats.fasi', '1']); _Hasync.push(['Histats.track_hits', '']); (function() { var hs = document.createElement('script'); hs.type = 'text/javascript'; hs.async = true; hs.src = ('//s10.histats.com/js15_as.js'); (document.getElementsByTagName('head')[0] || document.getElementsByTagName('body')[0]).appendChild(hs); })();