বিশ্বসেরা পাঁচ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯ | ৬ চৈত্র ১৪২৫

বিশ্বসেরা পাঁচ

বিবিধ ডেস্ক ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০১৯

print
বিশ্বসেরা পাঁচ

বর্তমানে এমন সব যুদ্ধবিমান আবিষ্কৃত হয়েছে যেগুলো শত্রুর চোখে ধুলো দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। ভয়ঙ্কর এসব যুদ্ধবিমান এক পলকে ধ্বংস করে দেয় শত্রু ঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রের লকহিড এফ-১১৭

দ্য লকহিড এফ-১১ একটি সিঙ্গেল আসন এবং দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট স্টিলথ যুদ্ধবিমান। এর নির্মাতা হচ্ছে লকহিডস সিক্রেটিভ স্কুঙ্ক ওয়ার্ক ডিভিশন। যার অপারেটর ছিল যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার ফোর্স। এটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ব্লু টেকনোলজি ডেমোনেস্ট্রেটর। বিমানটি নির্মাণে ৪২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এই বিমান বিশ্বের যে কোনো রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম।

রুশ মিগ-৩৫
রুশ অত্যাধুনিক মিগ-৩৫ যুদ্ধবিমান শত্রু পক্ষের রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম। রাশিয়ার মিগের প্রস্তুতকারক সংস্থা রাশিয়ান মিকুইয়ান সংস্থা। মিগ-৩৫ লকহিড মার্টিনের উন্নত সংস্করণ যুদ্ধবিমান এফ-৩৫-এর থেকেও উন্নত।
মিগ-৩৫ একটি ফিফথ জেনারেশন ফাইটার জেট। প্রতি ঘণ্টায় এর গতি ১ হাজার ৬১৬ মাইল। এতে রয়েছে ‘স্টেলথ মোড’, অর্থাৎ শত্রুর রাডারে ধরা পড়ার কোনো ভয় নেই। রয়েছে নতুন অস্ত্রশস্ত্র ও ডিফেন্স সিস্টেম। যুদ্ধবিমানটি হালকা অথচ মাল্টি-ফাংশনাল হওয়ার কারণে বিশ্বব্যাপী এর বেশ চাহিদা।

চীনের দ্য চেংদু জে-২০
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে চীন। তারা বিশ্বের যে কোনো রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান আবিষ্কার করেছে। এমন এক যুদ্ধবিমানের নাম ‘দ্য চেংদু জে-২০’। এর প্রস্তুতকারক চায়না চেংদু এরোস্পেস করপোরেশন ফর দ্য পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্স। ২০১১ সালে বিমানটি নির্মিত হয়। বিমানটিতে ‘স্টিলথ’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ছে। ব্যয় ১১০ মিলিয়ন ডলার।

ইরানের কাহার এফ-৩১৩
ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধবিমান কাহার এফ-৩১৩। তাদের এই বিমান রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম। যুদ্ধবিমানটি দেখতে ইস্পাতের মতো ধূসর বর্ণের। বিমানটি ‘উন্নত উপাদান’ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে খুবই নিম্নমাত্রার ‘রাডার সিগনেচার’ রয়েছে। ২ হাজার পাউন্ড ‘বম্ব’ বহনে সক্ষম এই স্টিলথ যুদ্ধবিমান।

ইউরোফাইটার টাইফুন
আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমিতে লড়াই চালানোর ক্ষমতা রয়েছে এই বিমানে। ইংল্যান্ড, জার্মানি, স্পেন, ইতালি-এই দেশগুলোর বায়ুসেনায় মোতায়েন রয়েছে ইউরোফাইটার টাইফুন। এর বাইরে ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোতেও এর ব্যাপক চাহিদা।