সতর্কতাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা

ঢাকা, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

সতর্কতাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা

তাহমিনা আক্তার নূপুর ৮:৩২ অপরাহ্ণ, জুন ০৩, ২০২০

print
সতর্কতাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা

বর্তমানে পৃথিবী করোনাভাইরাসের ভয়ঙ্কর বিষাক্ত থাবায় আচ্ছন্ন। যতদিন যাচ্ছে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। বাংলাদেশকেও করোনা তার ভয়ঙ্কর রূপটা দেখিয়ে দিচ্ছে। তাই যদি আমরা নিজেরা সচেতন না হই বা না থাকি এবং অন্যদেরও যদি সচেতনতা সম্পর্কে জানাতে না পারি তাহলে পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে চলে যাবে।

যেহেতু সরকার লকডাউন তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সীমিত আকারে কর্মস্থল খুলে দেওয়া হয়েছে তাই আমাদের সবাইকে অত্যন্ত সচেতনভাবে চলাচল করতে হবে। এ সময় আমাদের করণীয় হল সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, যথাসম্ভব গণপরিবহন ও ভিড় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা। অযথা বাইরের খাবার খাওয়ার অভ্যাস বদলাতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, অযথা নাক মুখ চোখে হাত না দেওয়া।

সবসময় গ্লাভস ও মাস্ক ব্যবহার করা। হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখা এবং প্রতি বিশ থেকে ত্রিশ মিনিট অন্তর অন্তর হাত পরিষ্কার করা। কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পর কখনোই ঘরে জুতা নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। বরং জীবাণুনাশক দিয়ে তা পরিষ্কার রাখতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব নিজে গোসল করে পরিষ্কার থাকতে হবে ও ব্যবহৃত জামাকাপড় জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

একটা বিষয় আমাদের অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, কখনোই বাইরে থেকে হুট করে এসে ছোট বাচ্চাদের ও পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে যাব না। তাদের সুরক্ষা সবার আগে। করোনার কোনো উপসর্গ দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিজে এবং নিজের পরিবারের সকল সদস্যদের সচেতন রাখবেন এবং আশপাশের সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেবেন। অযথা ভয় পাবেন না আর না জেনে আতঙ্ক ছড়াবেন না ও আতঙ্কিত হবেন না। আপনার আমার আমাদের সবার এটুকু সচেতনতা দ্বারাই করোনার ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পেতে পারি। গড়তে পারি করোনামুক্ত বাংলাদেশ।

তাহমিনা আক্তার নূপুর, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য (প্রথম বর্ষ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

nuso360073@gmail.com