শিশুখাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০ | ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

পাঠকের চিঠি

শিশুখাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ

আবু ফারুক ১০:০৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২০

print
 শিশুখাদ্য ও শিক্ষা উপকরণ

চরম পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। দফায় দফায় বর্ধিত সাধারণ ছুটির কারণে স্বাভাবিক সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে আছেন কয়েক লাখ মানুষ। কর্মহীন, অসহায় ও দরিদ্র লোকের খাদ্য সংকট নিরসনে সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেশে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।

তবে এই ত্রাণ সামগ্রীতে অনুপস্থিত বিশেষ শিশুখাদ্য। ফলে চলমান আর্থিক দৈন্যে দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবারের শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ও বিকাশে যথাযথ পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। যার ভবিষ্যৎ প্রভাব অত্যন্ত নেতিবাচক হতে পারে। অন্যদিকে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এছাড়া, বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রয়েছে লম্বা ছুটি।

স্বাভাবিক লম্বা ছুটির সঙ্গে চলমান অপ্রত্যাশিত বন্ধের কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি শিক্ষার্থীর শিক্ষার সম্ভাব্য বিপর্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় নানা সীমাবদ্ধতায়ও সংসদ টেলিভিশনে নিয়মিত পাঠদানের ক্লাস প্রচারিত হচ্ছে। দুই পর্যায়ের বিশেষত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিংহভাগ শিক্ষার্থীর পরিবার দরিদ্র ও অসচ্ছল। ত্রাণ হিসেবে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ খাতা, কলম, পেন্সিল ইত্যাদি সরবরাহের উদ্যোগ নিলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। যথাযথ সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় ত্রাণের আওতায় দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য সহজলভ্য শিশুখাদ্য এবং শিক্ষা উপকরণ সরবরাহে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের সদয় দৃষ্টি প্রত্যাশিত।

আবু ফারুক, সহকারী শিক্ষক, ভাগ্যকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, বান্দরবান