বর্ণিল সাজে বাগেরহাট

ঢাকা, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

পদ্মা সেতুকে বরণ করতে

বর্ণিল সাজে বাগেরহাট

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট
🕐 ৩:২৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২২

বর্ণিল সাজে বাগেরহাট

এসে গেলো কাঙ্খিত মাহেন্দ্রক্ষণ। আগামীকাল শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন দেশের সব থেকে বড় মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণের জেলা বাগেরহাটকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

পদ্মা সেতু সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো জেলা। আলোকসজ্জা করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক, সেতু ও সরকারি ভবনে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতেও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে এক সপ্তাহ ধরে নানা কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও মোড়ে পদ্মা সেতুর থিম সং বাজানো হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু ও পদ্মা সেতুর উপর তথ্যচিত্র প্রচার, বিভিন্ন সড়কে আলোকসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে সুসজ্জিত পিকআপে করে বাউল শিল্পীদের দিয়ে পদ্মা সেতুর গান বাজানো হবে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সকলকে দেখানোর জন্য স্বাধীনতা উদ্যানে প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, জেলা কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু সদনে উন্নতমানের খাবার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও এ্যাক্রোবেটিক শো‘র আয়োজন করেছে।

অন্যদিকে বাগেরহাটের দড়াটানা সেতু, মুনিগঞ্জ সেতু, মোল্লাহাটের আবুল খায়ের সেতুসহ সকল বড়-বড় সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আলোকসজ্জা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের মনেও এক ধরণের অন্যরকম আনন্দ বইছে পদ্মা সেতু নিয়ে।

বাগেরহাট সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, পদ্মাসেতু শুধু একটি সেতু নয়, এটা আমাদের স্বপ্ন। এই উপলক্ষে শুধু সরকার ও আওয়ামী লীগ নয়, আমরা পুরো বাগেরহাটবাসী খুশি।

দড়াটানা টোল প্লাজার সংলগ্ন ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া বলেন, ঈদ, বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন উৎসবে আলোকসজ্জা হলেও আমার মনে হয় এবারই সব থেকে বেশি আলোকসজ্জা হয়েছে। আমাদের এলাকার প্রতিটি মানুষ খুশি পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে।

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার জন্য আমাদের নেতাকর্মীরা খুবই উচ্ছোসিত। জেলা থেকে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ আমরা পদ্মাসেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবো। এছাড়াও প্রতিটি ইউনিয়নে নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল ও মিস্টি করবে বলে জানান এই নেতা।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, পদ্মাসেতু নিয়ে সাধারণ মানুষের যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস সেই সাথে জেলা প্রশাসনও সামিল হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোকসজ্জা, ব্যানার, ফেস্টুন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর সাথে সাথে সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বড় পর্দায় সম্প্রচারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান জেলার এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

 
Electronic Paper