ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ | ২১ ফাল্গুন ১৪৩০

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

নবান্নের আগমনে বেড়েছে বাঁশপণ্যের কদর

মোস্তাক আহমেদ, কাউনিয়া (রংপুর)
🕐 ৭:৩৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২৩

নবান্নের আগমনে বেড়েছে বাঁশপণ্যের কদর

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে চলতি মৌসুমে ধানের ভাল ফলন ও বাজারদর কিছুটা বৃদ্ধির ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। সেই সাথে সোনালী ফসল ঘরে তুলতে কার্তিকের শুরুতে এবারে কৃষকের ঘরে ঘরে বইছে নবান্নের আগমনী বার্তা।

 

তাই উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ডালি কুলা, চালা ও ডোল কেনার ধুম পড়েছে। উপজেলার ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষিজীবী তাই যে যেভাবে পারছে সামনের ধান কাটা-মাড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হাট বাজারে ভির করছেন কৃষাণীদের পছন্দের ডালি কুলা চালন ও ডোল কিনতে।

তকিপল হাটে কুলা নিতে আসা রাজিব গ্রামের শফিকুল জানান, সামনেই পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটামারাই ও নবান্ন উৎসব, তাই আগে ভাগেই ধান কাটা-মাড়াইয়ের জিনিসপত্র কিনে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, কয়দিন পর দাম বাড়বে।

ডালি কুলা আর চালন কিনে হাটের পাশে বসে থাকা হরিচরনলস্কর গ্রামের আ. গফফার জানান বাড়ির বউঝি কাটামাড়ির কাজ করবে তাই ওদের খুশি করতেই আগাম কেনা। তিনি জানান, গত বোরো মৌসুমে সরকার ২৬ টাকা কেজি দরে ধান কিনলেও আমাদের ধান বেঁচতে হয়েছে ১৫/১৭ টাকা কেজি। গত কয়েক দিন ধরে ধানের দাম ভালো তাই আমরা খুশি। তিনি আরো জানান, বাজারে বর্তমানে ধানের মন ১০৫০ থেকে ১১০০ টাকা। এই দাম থাকলে এবার আর ধানে তেমন লোকসান হবে না।

বাঁশের পণ্য বিক্রেতা আ. রশিদ জানান বাঁশের দাম কম তাই এবারে বাঁশের তৈরি কৃষিপণ্যেরও দাম কম। কিন্তু চাহিদা বেশি তবে কারিগর না থাকায় আমরা কৃষিপণ্য বাজারের চাহিদা মত দিতে পারছি না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহানাজ পারভীন জানান, উপজেলায় চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধাণের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৪শ’ ৫৮ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে খরিপ-২ মৌসুমে ২৮৩০ হেক্টর জমিতে স্বল্পমেয়াদী হাইব্রিড ও উপশী রোপা আমন ধান চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকায় এবারে আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে, বাজারে ধানের চাহিদাও ভালো, তাই এবারে কৃষকেরা ধানে লাভবান হবেন আশা করছি।

 
Electronic Paper