ঢাকা, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪ | ৮ বৈশাখ ১৪৩১

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

স্ত্রীকে পিটিয়ে পালিয়েছেন হিরো আলম

বগুড়া প্রতিনিধি
🕐 ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৬, ২০১৯

স্ত্রীকে পিটানোয় শ্বশুর বাড়ির লোকজনের হাতে মার খেয়ে পালিয়েছেন হিরো আলম। তবে পালানোর আগে তিনি বগুড়া সদর থানায় তার ওপর হামলার পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। আহত স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমি বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছ্নে।

সুমি বলেন, অনেক আগে থেকেই তার চারিত্রিক সমস্যা ছিল। সে একবার আমার ছোট বোনকে নিয়েও পালিয়েছিল। এখন নির্বাচন করে আলোচিত হবার পর থেকেই সে বাড়িতে কম থাকে। সংসারের খোঁজখবর রাখে না। গত দুই মাস পর সোমবার রাতে হিরো আলম বগুড়া শহরতলীর এরুলিয়া গ্রামে তার বাড়িতে আসে। রাতে বিছানায় শুয়ে আমি পাশে থাকতেই একটানা তিন ঘণ্টা মোবাইল ফোনে ঢাকার এক নারীর সঙ্গে কথা বলতে থাকে। এ নিয়ে আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে বেদম পিটিয়ে আহত করে।

সুমি জানান, হিরো আলম ঢাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে শুনেছি। এ কারণে বগুড়ায় থাকা স্ত্রী-সন্তানের কোনো খবর রাখেন না এবং সংসার খরচ দেন না। এর প্রতিবাদ করলেই তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের ওসি বদিউজ্জামান জানান, গত মঙ্গলবার রাতে হিরো আলমকে পেটানো হয় বলে তিনি বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জের নিয়ে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তার শ্বশুর সাইফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমির নেতৃত্বে হিরো আলমের বাড়িতে এসে চড়াও হয়ে তাকে পেটায়। পরে হিরো আলম হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে স্ত্রী-শ্বশুরসহ পাঁচজনের নামে এই অভিযোগ দেন।

বগুড়া সদর থানা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর আব্দুর রহিম জানান, আমরা প্রথমে হিরো আলমের কথাই সত্যি ভেবেছিলাম। কিন্তু পরে তদন্ত করে জানা গেছে হিরো আলমই প্রথমে তার স্ত্রীকে বেদম মারপিট করে। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে পিটিয়েছে। আর ঘটনার পর থেকেই হিরো আলম আত্মগোপন করেছে। তার ফোনও বন্ধ।

বুধবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে একাধিক বার হিরো আলমের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এছাড়া এরুলিয়া বাজারে তার অফিস এবং বাড়িতে গিয়েও তার সন্ধান মেলেনি।

 
Electronic Paper