ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ | ১১ আষাঢ় ১৪৩১

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

রায়গঞ্জে বাড়ছে সেচ এরিয়া

রাশিদুল হাসান, রায়গঞ্জ
🕐 ৫:৫৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২৩

রায়গঞ্জে বাড়ছে সেচ এরিয়া

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) পাবনা-নাটোর-সিরাজগঞ্জ জেলার ভূপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এতে পুনঃ খননকৃত খালে প্রবাহমান পানি থেকে এলাকায় সেচের এরিয়া বাড়ছে।

বিএডিসি রায়গঞ্জ (ক্ষুদ্র সেচ) জোন অফিস জানায়, সম্পাদিত ও চলমান কাজগুলো হচ্ছে, উপজেলায় মোট প্রায় ৩০ কিঃ মিঃ খাল পুনঃ খনন। ফলে ৯০ হেক্টর জমির জলাবদ্ধতা দুরীকরণ এবং আবাদের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও ভূপরিস্থ’ নদীর পানি ব্যবহার করে ঘুরকা, ধানগড়া, ও চান্দাইকোনা ইউনিয়নে এলএলপি পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে স্কীম চালু করা হয়েছে। ফলে ২৫০ হেক্টর অনাবাদী জমি আবাদের আওতায় এসেছে। জোন এলাকায় প্রায় ৪০ টি ১০০০ মিটার ও ৬৫টি ৫০০ মিটার ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ হচ্ছে। এতে প্রায় ৩০% পানির অপচয় রোধ হবে এবং এ পানি অতিরিক্ত ৩০% জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব হবে। ঘুরকা ইউনিয়নের রয়হাটি গ্রামের কৃষক সোলায়মান আলী বলেন, খালের পানির মাধ্যমে সেচ কাজ করায় খরচ অনেক কমে গেছে।

ধানগড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ উদ্দিন খান বলেন, খালে পানির রিজার্ভ বাড়ালে পানির স্তর নিম্নমুখি হওয়া থেকে রোধ করা সম্ভব হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৬টি মাঝারি ও ছোট আকারের হাইড্রোলিক ট্রাকচার (ছোট কালভার্ট) নির্মাণের ফলে কৃষিপণ্য পারাপার সহজ হয়েছে।

উপজেলায় ১৫ টি অচল গভীর নলকূপ সচল করার মাধ্যমে ২২০ হেক্টর অনাবাদী জমি আবাদের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত প্রায় ৪০০ মেঃ টন ফসল উৎপাদিত হবে। ভূপরিস্থ পানির মাধ্যমে সেচের কাজ করলে পর্যায়ক্রমে পানির স্তর নিম্নমুখী হওয়া রোধ হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করছে।

বিএডিসির রায়গঞ্জ জোনের সহকারী প্রকৌশলী মো. মোছাদ্দেক হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, এক ফসলি জমি তিন ফসলিতে রূপান্তর করা, ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণের মাধ্যমে অনাবাদী জমি আবাদী জমিতে রূপান্তর করা। ফসল পারাপারে হাইড্রোলিক ট্রাকচার নির্মাণ করা। প্লাবিত জমি উদ্ধার করা, অচল গভীর নলকূপ সচল করার মাধ্যমে সেচের আওতা বৃদ্ধি ও ভূপরিস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে সেচের খরচ হ্রাস করা। এ প্রকল্পে রায়গঞ্জ এলাকায় মোট ব্যয় হবে প্রায় ১৫ কেটি টাকা।

 
Electronic Paper