ঢাকা, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ১৮ মাঘ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

ক্যান্সার সচেতনতায় নটরডেম কলেজে ভিন্নধর্মী আয়োজন

ক্যাম্পাস ডেস্ক
🕐 ৭:৩৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৩, ২০২২

ক্যান্সার সচেতনতায় নটরডেম কলেজে ভিন্নধর্মী আয়োজন

ইমপালস-মাই কেয়ার (প্যালিয়েটিভ এন্ড জেরিয়াট্রিক কেয়ার সেন্টার) কর্তৃক ফুসফুসের ক্যান্সার সচেতনতার মাস উদযাপনের অংশ হিসেবে নটরডেম কলেজে এক ঘন্টাব্যাপী একটি ভিন্নধর্মী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

আজ বুধবার (২৩ নভেম্বর) নটরডেম ইয়োগা ও মেডিটেশন ক্লাবের সহায়তায় ‘নটরডেম কলেজ’ এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় তুলে ধরেন- মাই কেয়ারের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ডা. ফারজানা ইসলাম। ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিভিন্ন যোগ অভ্যাস/ইয়োগা প্রদর্শন করে ইয়োগা থেরাপিষ্ট কুশল রয় জয় (প্রতিষ্ঠাতা, জয়সান ইয়োগা)।

এসময় অনুষ্ঠানটিতে নটরডেম কলেজে ৪০০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এতে বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও এবং নটরডেম ইয়োগা ও মেডিটেশন ক্লাবের সম্মানিত মডারেটর স্বপন হালদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাই কেয়ার-এর ক্যান্সার বিষয়ক জনসচেতনতা প্রচারকারী দল ফারজানা আলী (হেড অব সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট), মো. জুলহাস উদ্দিন (হেড অব প্রোগ্রাম ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) ও শাখাওয়াতউল্লাহ (বিসনেস রিলেশনশিপ ম্যানেজার)।

এই সচেতনতা অনুষ্ঠানের বিশেষ দিকগুলো হলো- (১) ছাত্রদের ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রকোপ, কারণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে জানানো। (২) ধুমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে অবহিত করা। (৩) শাসতন্ত্রের ব্যায়াম শিখানো ও অনুশীলন করা। (৪) শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা।

অনুষ্ঠানটিতে স্তন ক্যানসার থেকে আরোগ্য লাভ করা ফারজানা আলী উপস্থিত ছিলেন। তিনি মাল্টিন্যাশনাল কম্পানীতে চাকরিরত অবস্থায় ক্যান্সার ধরা পড়ার পর চিকিৎসা থেকে শুরু করে শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্যান্সারকে মোকাবিলা করে পূনরায় কর্মজীবনে ফিরে আসার অনুপ্রেরণা জোগানো গল্প বলেন। নটর ডেম কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফাদার হেমন্ত পিউস রোজারিও এই আয়োজনে সন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে আরও এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশ্বব্যাপী নভেম্বর মাসকে ‘ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung Cancer) সচেতনতা মাস' হিসেবে উদযাপন করা হয়। প্রতি বছর আমাদের দেশের পুরুষরা যেসব ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, তার মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ফুসফুসের ক্যানসার। যার সংখ্যা ১৪ লক্ষেরও বেশি এবং মারা যান প্রায় ১২ লক্ষ। ধূমপান, তামাক, জর্দা, গুল ইত্যাদির ব্যবহার এই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া পরিবেশদূষণ, বায়ুদূষণ, যানবাহনের কালো ধোঁয়া ইত্যাদিও এ জন্য দায়ী। এই ক্যান্সার সম্পর্কে সকলকে সচেতন করার অংশ হিসেবে ইমপালস-মাই কেয়ার (প্যালিয়েটিভ এন্ড জেরিয়াট্রিক কেয়ার সেন্টার) এই ভিন্নধর্মী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

 
Electronic Paper