ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০২৪ | ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

কী শিক্ষা দেয় যুক্তফ্রন্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
🕐 ১০:৪৮ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৮

দেশে নির্বাচনী জোট গঠনের ইতিহাস সেই ১৯৫৪ সাল থেকেই। ইতিহাসের নানা পর্বে  আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার, স্বায়ত্তশাসন, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন জোটের রয়েছে ঐতিহাসিক ভূমিকা।

ইতিহাসের সেইসব রাজনৈতিক ও নির্বাচনী জোট নিয়ে খোলা কাগজের ধারাবাহিক আয়োজন ‘ফিরে দেখা নির্বাচনী জোট’-এর প্রথম পর্ব প্রকাশিত হলো আজ।  

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জোটভিত্তিক রাজনীতি ও নির্বাচনমুখী জোটের ইতিহাস রয়েছে দীর্ঘদিনের। ’৪৭-এর দেশভাগের পর পাকিস্তান পর্বে বাঙালির প্রথম সফল জোট রাজনীতির ইতিহাস রচিত হয় ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্টের মধ্য দিয়ে। মূলত ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের জগদ্দল অপশাসন থেকে মুক্তি পেতে এবং পূর্ব বাংলায় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ৫৪-এর প্রাদেশিক নির্বাচনকে ঘিরে গড়ে উঠছিল এ রাজনৈতিক জোট। এ জোটের পেছনে প্রধান নিয়ামক শক্তি ছিল ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা বাঙালি জাতীয়তাবোধ ও পশ্চিম পাকিস্তান ও মুসলিম লীগের বিরুদ্ধ গড়ে ওঠা গণতান্ত্রিক চেতনা। পাকিস্তান পর্বের শুরু থেকেই উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণ করার কারণে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ ছিল সে জাতীয় ঐক্যের মূল ভিত্তি। বাংলাদেশে জোট রাজনীতির প্রসঙ্গ এলেই ৫৪-এর ‘যুক্তফ্রন্ট’ দিয়েই আলোচনার ডানা মেলতে হয়।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান নামের যে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র জন্ম নিয়েছিল তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানের অভিজাত মুসলিম বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সামরিক শাসকদের হাতে। সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার পরও পূর্ব বাংলার জনগণের চিন্তা ও মতকে চরমভাবে উপেক্ষা করে পশ্চিম পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও গভর্নরের মতো দুই প্রধান পদ দখল করে বসেছিল। এর ফলে পূর্ব বাংলার জনগণ, রাজনৈতিক, সামাজিক নেতারা প্রথম থেকেই অনুভব করেছিল পাকিস্তান পূর্ব বাংলায় ঔপনিবেশিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বাস্তবেও তাই ঘটল। সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব পাকিস্তানকে রাজনৈতিকভাবে পঙ্গু করে পশ্চিম পাকিস্তানের মুখোপেক্ষী করে রাখা হয়। লাহোর প্রস্তাবে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা থাকলেও পাকিস্তানি শাসকরা কোনোভাবেই সে পথে এগোল না। গণতন্ত্রকে জলাঞ্জলি দিয়ে স্বৈরতন্ত্র, এক নায়কতন্ত্র এবং সামরিকতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলাকে শাসন এবং শোষণ করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করে পশ্চিম পাকিস্তান। ফলে প্রথম থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের নানা অবহেলা, বঞ্চনা ও দলন-পীড়নের মুখে পড়েছিল পূর্ব বাংলা। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার মতো পাকিস্তানি শাসকদের অযৌক্তিক ও অসম প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ৪৮ সাল থেকেই পূর্ব বাংলার জনগণের মাঝে অসন্তোষ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল। এ ছাড়া পূর্ব বাংলাকে পাকিস্তানের নব্য বুর্জোয়া শ্রেণির উপনিবেশ হিসেবে প্রতিপন্ন করার বিষয়টি প্রকটভাবে দৃশ্যমান হতে থাকে। বিশেষ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ ৫৬ শতাংশ বাঙালির ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে মাত্র ৩ শতাংশ মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার জঘন্য ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল বাংলার ছাত্রসমাজ। ১৯৫২-এর ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে গড়ে উঠা আন্দোলনে পাকিস্তান সরকারের নির্বিচারে গুলি এবং ছাত্রহত্যার ঘটনা পূর্ব বাংলার জনগণকে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে ক্ষেপিয়ে তোলে। ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের নেতৃত্বে পশ্চিম পাকিস্তানি আধিপত্য, কেন্দ্রীয় সরকারের শোষণমূলক নীতির বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় অসন্তোষ তীব্র হতে থাকে। এবং ধীরে ধীরে সামনে চলে আসে আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রশ্ন। গণদাবির মুখে পাকিস্তান ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ঘোষণা করে। তখনো পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো সংবিধান রচিত হয়নি এবং পূর্ব বাংলার নামও তখনো পূর্ব পাকিস্তান হয়নি। এ অবস্থায় মুসলিম লীগকে ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ জোট হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল যুক্তফ্রন্টের। ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর এ জোট গঠিত হয়।
বাংলার তিন অবিসংবাদিত নেতা নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ভাষানী এবং কৃষক শ্রমিক পার্টির (কেএসপি) সভাপতি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সমন্বয়ে মূলত যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হলেও পরবর্তী সময়ে জোটে অন্তর্ভুক্ত হয় হাজী মোহাম্মদ দানেশ ও মাহমুদ আলীর নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল, পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, পাকিস্তান খেলাফত পার্টি এবং মওলানা আতাহার আলী নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম পার্টি। নেজামে ইসলাম পার্টি যুক্ত হয়েছিল কৃষক-শ্রমিক পার্টির সঙ্গে পৃথকভাবে ১০ দফা চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে। যা নিয়ে জোটের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ফজলুল হককে। রক্ষণশীল নেজামে ইসলাম পার্টিকে জোটে অন্তর্ভুক্তির কারণে জোটের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক উদারনীতি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছিলেন অনেকে।
নানা আদর্শিক ও মূল্যবোধগত বিরোধ সত্ত্বেও সাধারণ শত্রু হিসেবে মুসলিম লীগকে মোকাবেলার প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক, বামপন্থী, উদার ও রক্ষণশীল ইসলামপন্থী সব ধরনের রাজনৈতিক দল। ইতিহাসে ৫৪-এর ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামের নির্বাচনী জোট নানা ঐতিহাসিক দিক বিবেচনায় গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ।
২১ দফার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সে নির্বাচনী জোট গঠনে রাজনীতিবিদদের প্রেরণা জুগিয়েছিল তৎকালীন ছাত্রসমাজ। বিশেষ করে ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন নিখিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগকে মোকাবেলা করার জন্য ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়ন ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠন করে। যথারীতি সে ছাত্রজোট বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। ডাকসুর সহ-সভাপতি হন ছাত্র ইউনিয়নের এসএ বারী ও সাধারণ সম্পাদক হন ছাত্রলীগের জুলমত আলী খান। ছাত্রদের গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টই মূলত যুক্তফ্রন্টের পথপ্রদর্শক ছিল।
রক্ষণশীল নেজামে ইসলাম পার্টিকে জোটে অন্তর্ভুক্তির কারণে জোটের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক উদারনীতি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে অনেকের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য কৌশলগত কারণে বহু পথ, মত ও দ্বন্দ্বের ঐক্য রক্ষায় যুক্তফ্রন্টের কৌশল ছিল সময়োপযোগী এবং দুরদর্শিতার পরিচায়ক। এমনকি যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার বহুবিধ দ্বন্দ্বে পূর্ণ থাকার পরও ওই দলিল ছিল ঐতিহাসিক এবং সব বিরোধী দল সেটা মেনে নিয়েছিল। বলা হয় যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার এবং ২১ দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের বিকাশমান মধ্যবিত্ত, স্বনির্ভর কৃষক এবং শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের কর্মসূচি। কারও কারও মতে পশ্চিম পাকিস্তানের নব্য অভিজাত মুসলিম ও বুর্জোয়া শ্রেণি এবং সামরিক শাসকদের বিপরীতে পূর্ব বাংলার নব্য ‘এলিট শ্রেণির’ কর্মসূচি ছিল ২১ দফা। ইশতেহারে পূর্ব বাংলার শিক্ষা, কৃষি ও শিল্পোন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করার আশ্বাস যেমন ছিল তেমনি ছিল গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও।
২১ দফার ১৯তম দফা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়। সেখানে লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলাকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও সার্বভৌম করা, দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র ও মুদ্রা ছাড়া সব বিষয়কে প্রদেশের কর্তৃত্বে আনা, দেশরক্ষা বিভাগের স্থল বাহিনীর সদর দপ্তর পশ্চিম পাকিস্তানে ও নৌবাহিনীর সদর দপ্তর পূর্ব বাংলায় স্থাপিত করা, পূর্ব বাংলাকে আত্মরক্ষায় স্বয়ংসস্পূর্ণ করার জন্য প্রদেশে অস্ত্র নির্মাণের কারখানা স্থাপন করা এবং আনসার বাহিনীকে সশস্ত্র বাহিনীতে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে যুক্তফ্রন্টের ইশতেহারে বাঙালি জাতির স্বাতন্ত্রবোধ ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের দাবিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অভাবনীয় বিজয় অর্জন করে। পূর্ব পাকিস্তানের ২৩৭ মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে। অন্যদিকে মুসলিম লীগ পায় মাত্র ১০ আসন। যুক্তফ্রন্টভুক্ত দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ এককভাবে পায় ১৪৩ আসন। কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি পায় ৪৮ আসন। নেজামে ইসলাম পার্টি ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ আসন লাভ করে নির্বাচনে। এ ছাড়া ৭২টি অমুসলিম আসনের মধ্যে তফসিলি জাতি ফেডারেশন পায় ২৭টি আসন।   
যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুষশ বিজয়ের পর ৫৪ সালের ২ এপ্রিল মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় একে ফজলুল হককে যুক্তফ্রন্টের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয় এবং এর পর দিন ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট সরকারের প্রধান বা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। মন্ত্রিসভায় সদস্য অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিরোধের ফলে প্রথমে আওয়ামী লীগ মন্ত্রিসভায় অংশগ্রহণ করেনি। তখন এ কে ফজলুল হক কৃষক-শ্রমিক পার্টির আবু হোসেন সরকার ও সৈয়দ আজিজুল হক নান্না মিয়া, নেজামে ইসলাম পার্টির আশরাফউদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে তিন সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে। পরে ১৫ মে মন্ত্রিসভায় অন্তুর্ভুক্ত হন আওয়ামী লীগের কয়েকজন। তারা হলেন আতাউর রহমান খান, আবুল মনসুর আহমদ, আবদুস সালাম খান, হাশিমউদ্দিন আহমদ এবং শেখ মুজিবুর রহমান। কেএসপির নেতা হওয়া সত্ত্বেও কফিলউদ্দিন চৌধুরীকে আওয়ামী মুসলিম লীগের কোটা থেকে মন্ত্রী করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হক ছাড়া মোট ১২ জনকে নিয়ে গঠিত হয়েছিল যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা। কিন্তু এ কে ফজলুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে গঠনের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় কেন্দ্রীয় সরকার ভারত শাসন আইনের ১২-ক ধারা বলে বাতিল করে দেয় ওই মন্ত্রিসভা।
আদমজীতে সংঘটিত হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা এবং পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করা হবে বলে কলকাতায় দেওয়া ‘শেরে বাংলা’র কথিত ভাষণসহ নানা অজুহাতে ২৯ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভাকে বাতিল করে পূর্ব বাংলায় গভর্নরের শাসন প্রবর্তন করা হয়েছিল। গভর্নর পদে নিযুক্ত করা হয় মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জাকে। এর মধ্য দিয়ে মূলত পাকিস্তান থেকে সংসদীয় গণতন্ত্র নির্বাসিত হয়। মূলত এসবই ছিল পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার এবং মুসলিম লীগের ষড়যন্ত্র।
যুক্তফ্রন্ট সরকার খুব ক্ষণস্থায়ী হলেও ইতিহাসে এ নির্বাচনী জোটের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রথম সম্মিলিত দাবি তুলেছিল ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট গঠনের মধ্য দিয়ে।

 
Electronic Paper