নোবিপ্রবিতে অতিথি পাখি

ঢাকা, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১ | ৫ আষাঢ় ১৪২৮

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

নোবিপ্রবিতে অতিথি পাখি

মাইনুদ্দিন পাঠান
🕐 ২:০২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৪, ২০১৯

নোবিপ্রবিতে অতিথি পাখি

প্রতি বছর শীতের মৌসুমে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা অতিথি পাখির বিচরণে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসের ময়না দ্বীপ নামক স্থানে ভিড় করেছে অতিথি পাখি কেউবা আবার ডুব সাঁতারে ব্যস্ত। দ্বীপের কোথাও তারা জুটিবদ্ধভাবে নিজেদের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। আবার কখনো তারা চক্রাকারে চিৎকার করে উড়ে বেড়াচ্ছে ক্যাম্পাসের মুক্ত আকাশজুড়ে।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত- এসব অতিথি পাখির কলকাকলি আর কিচিরমিচির শব্দে ক্যাম্পাসে এখন মধুময় সুরের আবহ বিরাজ করছে। সামান্য শব্দ হলেই উড়ে যাচ্ছে দল বেঁধে। ওদের কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত পুরো এলাকা।

উড়াউড়ি, ছুটোছুটি, খুনসুটি আর মনের সুখে সাঁতার খেলায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল এক ঝাঁক পাখি। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অতিথি এখন তারা।

পাখিরা বাতাসের সঙ্গে উড়ে ঘূর্ণায়মান হয়ে ঘুরছে দিনরাত কিচিরমিচির আর কলতানে মুখরিত বিল ও নদী যা দেখে পাখি প্রেমিকদের মন জুড়িয়ে যাবে।

শীতের সময় এ দীঘিতে সবসময় সূর্যের আলো থাকে, এখানে শীত কম পড়ে বলেই অতিথি পাখিরা এখানে প্রত্যেক বছরে আসে। অতিথি পাখির প্রধান খাদ্য হলো ছোট ছোট মাছ। আর নোবিপ্রবির ময়না দ্বীপে দেশীয় ছোট ছোট পাওয়া যায় বলে পাখিদের খাদ্যের সমস্যা হয় না।

সাধারণ দুই ধরনের পাখির আগমন ঘটে এ ক্যাম্পাসে। এক ধরনের পাখি ডাঙ্গায় বা শুকনো স্থানে বা ডালে বসে বিশ্রাম নেয়। আরেক ধরনের পাখি পানিতে থাকে ও বিশ্রাম নেয়। এদের বেশির ভাগই হাঁস জাতীয়।

 
Electronic Paper


SA Engineering