ঢাকা, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

যবিপ্রবির সিএসআইআরএল ল্যাবকে আইএসও সনদ হস্তান্তর

মোস্তফা গালিব, যবিপ্রবি
🕐 ৬:২১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৬, ২০২৩

যবিপ্রবির সিএসআইআরএল ল্যাবকে আইএসও সনদ হস্তান্তর

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সেন্টার ফর সফিস্টিকেটেড ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে (সিএসআইআরএল) আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রকারী প্রতিষ্ঠান আইএসও-এর সনদ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সনদ হস্তান্তর করা হয়। যবিপ্রবির উপাচার্য ও সিএসআরআইএলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনকে এ সনদ হস্তান্তর করেন এদেশীয় কনসালটেন্সি ফার্ম হারমিটেজ অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (এইচএমএস) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুন নূর। আইএসও সনদ হস্তান্তর করার পর কেক কেটে উদযাপন করা হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গুণগত মান বজায় রাখায় ইতিমধ্যে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার ও নেম ল্যাব আইএসও সনদ অর্জন করেছে।

সনদ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, যখন আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করি, তখন বলেছিলাম যবিপ্রবি হবে একটি গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। সেদিন অনেকে হয়তো এটি বিশ্বাস করেনি। এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিই প্রমাণ করছে যবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা হচ্ছে। শুধু দেশ নয়, বিশ্বে আজ যবিপ্রবি গবেষণায় অনন্য। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব বাজারের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে একেকটা ইন্ড্রাস্ট্রির মতো অথবা তাদের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করবে। যারা আগামীতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, কেউ যদি নিজেকে উন্নত ও সফল করতে পারে, তখনই কেবল আরেক জনকে সাহায্য করতে পারে।

সিএসআইআরএলের উপ-পরিচালক ড. মো. জাভেদ হোসেন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, হারমিটেজ অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (এইচএমএস) লিমিটেডের ব্যবস্থপনা পরিচালক প্রকৌশলী আব্দুন নূর। অনুষ্ঠানে যবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান ও দপ্তর প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিএসআইআরএল ল্যাবের সহকারী ইন্সট্রুমেন্ট প্রকৌশলী ড. সৈয়দ ইমদাদুল হোসেন।

 
Electronic Paper