ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারের বাড়িতে ডাকাতি, ৯০ লাখ টাকার মালামাল লুট

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
🕐 ৬:৫০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২৪

নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারের বাড়িতে ডাকাতি, ৯০ লাখ টাকার মালামাল লুট

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নৌবাহিনীর সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মরহুম আ. মান্নান দেওয়ানের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

 

এসময় নগদ ১২ লাখ টাকা, ৭০ ভরি স্বর্ণালংকার ও তিনটি মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক প্রায় ৯০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতদলের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর ৪টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি তালতলা এলাকায় দেওয়ান মঞ্জিল বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

এদিকে আব্দুল মান্নানের মেয়ের জামাতা মো. মিজানুর রহমান জানান, আজ ভোর রাত পৌনে ৪টার দিকে গ্রিল কেটে একদল ডাকাত ঘরে প্রবেশ করে। এসময় ডাকাতদল আমার শ্যালক রায়হান উদ্দিন দেওয়ান ওরফে মুন্না দেওয়ান (৪৫) শ্যালকের স্ত্রী সোহানা দেওয়ান (৩৫) ও আমার শ্বাশুড়ি রাশিদা আক্তারকে (৭৫) বেঁধে ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সব লুট করে নিয়ে যায় তারা।

তিনি আরও জানান, ১২-১৩ জনের একটি ডাকাতদল প্রায় ৪০ মিনিট সময়ের মধ্যে নগদ ১২ লাখ টাকা ৭০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১টি আইফোনসহ ৩টি মোবাইল নিয়ে যায়। এতে আনুমানিক প্রায় ৯০ লাখ টাকা লুটে নিয়ে গেছে ডাকাত দলের সদস্যরা।

মরহুম আব্দুল মান্নান দেওয়ানের স্ত্রী রাশিদা দেওয়ান বলেন, ফজরের আযানের আগে আমি রোজার সেহরি খাওয়ার জন্য তৈরী হয়ে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতে বসলে এসময় আমার ছেলে মুন্নাকে দিয়ে আমাকে ডাক দিয়ে ডাকাতদল দরজা খুলতে বলে। আমি ভাবছি হয়তো আমার ছেলের শরীরটা ভাল না তাই এত রাতে আমাকে ডাকছে। এটা মনে করে আমি দরজা খুলে দেই। দরজা খোলার সাথে সাথে ৭-৮ জন ডাকাত মিলে আমাকে জিম্মি করে ঘরের আলমারী খুলে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় এবং পুরো ঘর তছনছ করে ফেলে।

এদিকে ডাকাতির ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাম্মেল হক ও র‌্যাব-১১ এর মেজর ইমামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এবিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, ডাকাতির ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও ঘটনা তদন্তে পুলিশের কয়েকটি টিম মাঠে কাজ করছে।

 
Electronic Paper