রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি ড. আ ক ম আকতারুজামান বসুনিয়া বলেছেন, ‘নির্বাচন একটি জাতীয় উৎসব। সকল ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণির মানুষ যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করাই পুলিশ প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব।’
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে নীলফামারীর ঢেলাপীর এলাকা থেকে শুরু করে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবহুল এলাকায় সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্বাচনকে ঘিরে তাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্বেগের কথা জানান।
ডিআইজি বলেন, সনাতনী সম্প্রদায়সহ সকল ভোটারের নিরাপত্তায় পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত।
এ সময় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বাড়তি নজরদারি, টহল জোরদারসহ ভোটের দিন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো অভিযোগ বা তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নীলফামারী সদরের সোনারায় ইউনিয়নের বড়ুয়া বাজারের ভোটার জিতেন্দ্র নাথ বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে এভাবে পাশে পেয়ে আমরা আনন্দীত আমাদের এই ভোট নিয়ে মনের ভিতরে যে ভয় কাজ করছিলো তা এখন শঙ্কামুক্ত। আমরা নির্ভয়ে এখন ভোট কেন্দ্র গিয়ে ভোট দিতে পারবো।
পুলিশ প্রশাসনের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সনাতনী পরিবারের সদস্যরা। তারা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরাসরি খোঁজখবর নেওয়া ও নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ায় তারা অনেকটাই স্বস্তি অনুভব করছেন এবং নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা জুড়েই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
কেকে/ এমএস