জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘দাঁড়িপাল্লা ক্ষমতায় আসলে আগামীতে দেশে উন্নয়নের ব্যাপক আয়োজন সৃষ্টি হবে। তাই ভোটের দিন সবাইকে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহবান জানাচ্ছি।’
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের পায়েরখোলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা খুবই দুর্বল। ভারতীয় আতশবাজিকে কোন ভয় নয়। কেন্দ্র দখল করতে আসলেই সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করতে হবে। দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার বইছে। এ জোয়ারকে তরান্বিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, ইউনিয়ন ব্যাংকের সাবেক এমডি সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. সালেহ ও হাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট সৈয়দ গোলাম সারোয়ার।
জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ম্যানেজার মো. সেলিমের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি রকির সঞ্চালনায় জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ভিপি মো. সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি মো. বেলাল হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা আমির মাওলানা মো. শাহজালাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আইয়ুব আলী ফরায়েজী, মেশকাত উদ্দিন সেলিম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মজিবুর রহমান, এনসিপির উপজেলা যুগ্ম সমন্নয়ক মামুন মজুমদার, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নেতা দুলাল কর্মকার, ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য জয়নাল আবেদিন পাটোয়ারি ও মন্জুর আহমেদ সাকি, জগন্নাথদীঘি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শাহাব উদ্দিন, স্হানীয় জামায়াত নেতা তৌহিদুল আজিম বাবু, কেএম আবদুর রাজ্জাক, কেএম আবদুল কাইউম, বেলাল হোসেন চৌধুরী, ওমর মহিউদ্দিন, আনছার উল্লাহ চৌধুরী, উজ্জ্বল চৌধুরী, মানোয়ার হোসেন, শাহআলম চৌধুরী, কাজী বাদল ও শিবির নেতা রিফাত সানি প্রমুখ।
কেকে/এসএএস