নির্বাচন কাভার করতে হলে একজন গণমাধ্যমকর্মীকে অবশ্যই নির্ভুল, ন্যায়সঙ্গত ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনি সংবাদ সম্পাদনার ক্ষেত্রেও কোনভাবেই দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। এতে করে গণমাধ্যম জনগণ ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) উদ্যোগে পিআইবির মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরের সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণে এসব কথা বলেন বক্তারা।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলের ৫০ জন সদস্য অংশ নেন। প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহিন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রশিক্ষণের সমন্বয়ক ও সিনিয়র প্রশিক্ষক গোলাম মুর্শেদ, সিনিয়র সাংবাদিক জিয়াউর রহমান, আমার দেশ পত্রিকার উপসম্পাদক সুলতান মাহমুদ, ঢাকা সাব এডিটর কাউন্সিলের সভাপতি মুক্তাদির অনিক, সাধারণ সম্পাদক জাওহার ইকবাল খান এবং প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক তারেক হোসেন বাপ্পি প্রমুখ।
ওবায়দুর রহমান শাহিন বলেন, “সাংবাদিকতায় তথ্য যাচাইয়ের অগ্রাধিকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব বহন করে এবং নৈতিকতার কোনো বিকল্প নেই।”
প্রশিক্ষণে সুলতান মাহমুদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদ, সংবিধান, নির্বাচনী বাজেটসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনসংক্রান্ত নীতিমালা, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন জিয়াউর রহমান।
দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণের শেষ দিনে শুক্রবার প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন প্রশিক্ষকবৃন্দ ও ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের নেতারা।
কেকে/এজে