সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬,
২ চৈত্র ১৪৩২
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম: আগামী মাসে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড : প্রধানমন্ত্রী      কাউন্টারে ঘরমুখো মানুষের ভিড়, চাপ বেড়েছে দূরপাল্লার বাসে      আল-আকসা খোলা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল ইসরায়েল      শেকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বারবার ফিরে আসবে : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী      ইউজিসি চেয়ারম্যান ও ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে রদবদল      খাল খনন কর্মসূচিকে আরও প্রসারিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী নুর      স্কুল ভর্তিতে থাকছে না লটারি : শিক্ষামন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
কল্যাণমুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:২০ এএম আপডেট: ০৭.০২.২০২৬ ২:২৪ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাষ্ট্র সংস্কার, জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে প্রণীত এ ইশতেহারে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি সমন্বিত রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার থেকে শুরু করে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো, সামাজিক বৈষম্য নিরসন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহার পাঁচটি অধ্যায়ে ভাগ করে মোট ৫১টি দফাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি প্রধান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও করেছে দলটি। 

শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ ইশতেহার তুলে ধরেন। আসন্ন নির্বাচনে তারেক রহমান দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং এটিই তার পক্ষ থেকে ঘোষিত প্রথম নির্বাচনি ইশতেহার। 

ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ। রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার, বিচারবিভাগ, জনপ্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর সংস্কারের পাশাপাশি ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। সামাজিক উন্নয়ন অধ্যায়ে দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক সুরক্ষা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

অর্থনৈতিক অধ্যায়ে বিএনপি ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন করে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির পথে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বিনিয়োগ ও এফডিআই বৃদ্ধি, ব্যাংক ও পুঁজিবাজার সংস্কার, জ্বালানি, আইসিটি, ব্লু ইকোনমি ও সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।
ইশতেহারে জনকল্যাণমূলক ও অর্থনৈতিক সংস্কারকে প্রাধান্য দিয়ে ৯টি বিশেষ প্রতিশ্রুতির মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, তরুণদের কর্মসংস্থান, ক্রীড়া ও পরিবেশ উন্নয়ন, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং ডিজিটাল অর্থনীতি সম্প্রসারণ। সব মিলিয়ে বিএনপির ইশতেহার প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে ন্যায়, মানবিকতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে একটি বৈষম্যহীন ও উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরেছে।

১. ফ্যামিলি কার্ড : প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এ সহায়তার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।

২. কৃষক কার্ড : কৃষকদের ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ প্রবর্তন করা হবে। এর আওতায় ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষি বীমা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। মৎস্য ও পশুপালন খাতের উদ্যোক্তারাও এই সুবিধা পাবেন।

৩. স্বাস্থ্যসেবা : দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে সারা দেশে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা এবং মা ও শিশুর জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

৪. শিক্ষা : বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা এবং ‘মিড-ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) চালু করা হবে। একইসঙ্গে কওমি সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও ধর্মীয় শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়ার বিসয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।  

৫. তরুণ ও কর্মসংস্থান : তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা হবে। মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

৬. ক্রীড়া : খেলাধুলাকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সুবিধা বাড়ানো হবে।
৭. পরিবেশ ও জলবায়ু : আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন বা পুনঃখনন করা হবে। চালু হবে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা।

৮. ধর্মীয় সম্প্রীতি : ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

৯. ডিজিটাল অর্থনীতি : আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে ‘পেপাল’ চালু করা হবে। এ ছাড়া ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া ইশতেহারের প্রধান ৫টি অধ্যায় রয়েছে। এরমধ্যে প্রথম অধ্যায় হচ্ছে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার ও সুশাসন। যেখানে ইশতেহারের প্রথমভাগে বিএনপি রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের অঙ্গীকার করেছে। এতে গুরুত্ব পেয়েছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা। এ ছাড়া সাংবিধানিক সংস্কার, জাতিগঠন এবং সুশাসনের লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জনপ্রশাসন, বিচারবিভাগ ও পুলিশ বাহিনীর সংস্কার এবং ‘ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশন’ গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছে দলটি।

দ্বিতীয় অধ্যায় সামাজিক উন্নয়ন ও বৈষম্য নিরসন। বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় অধ্যায় সাজানো হয়েছে। এতে দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিশেষ পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুব উন্নয়ন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং শ্রমিক কল্যাণের অঙ্গীকার করেছে বিএনপি। পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানিসম্পদ পরিকল্পনা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তৃতীয় অধ্যায় ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন ও ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অর্থনীতি পুনর্গঠনকে তৃতীয় ভাগে স্থান দেওয়া হয়েছে। বিএনপি বলছে, ক্ষমতায় গেলে তারা অর্থনীতির ‘গণতন্ত্রায়ণ’ করবে এবং দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাবে। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ ও সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজার সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি খাত, তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি), সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি), এবং সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায় অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন ও পরিকল্পিত নগর। আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করতে চতুর্থ অধ্যায়ে বিশেষ পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চট্টগ্রামকে দেশের ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ হিসেবে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠা করা। এ ছাড়া উত্তরাঞ্চল, হাওর-বাঁওড় ও উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য আলাদা উন্নয়ন পরিকল্পনা, পরিকল্পিত নগরায়ণ, এবং ঢাকাকে একটি নিরাপদ ও টেকসই মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চম অধ্যায় ধর্ম, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম। ইশতেহারের শেষ ভাগে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষার অঙ্গীকার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ক্রীড়া, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সমাজের নৈতিকতার শক্তি পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের পাঁচ বছরের পরিকল্পনা তুলে ধরেছে দলটি।

ইশতেহার ঘোষণা করে বিএনপি জানিয়েছে, এটি কেবল নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি নয়, বরং একটি ‘নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি’। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতিতে নয়, বরং ন্যায় ও মানবিকতায় বিশ্বাস করে। ক্ষমতার চেয়ে জনগণের অধিকারই তাদের রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু। রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হবে লুটপাট নয় উৎপাদন; ভয় নয় অধিকার এবং বৈষম্য নয় ন্যায্যতা। জনগণের রায়ে ক্ষমতায় গেলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছে দলটি।

বিএনপির এবারের ইশতেহার তিনটি মৌলিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে : শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা রাষ্ট্রদর্শন, বেগম খালেদা জিয়ার ‘ভিশন-২০৩০’ এবং তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা। ইশতেহারে বলা হয়েছে, বিএনপি স্লোগান নয় বরং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় বিশ্বাসী। ‘ডব যধাব ধ ঢ়ষধহ’-এর আলোকে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণই তাদের লক্ষ্য।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ড. মাহদী আমিন, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুম্মন, শায়রুল কবির খানসহ ঊর্ধ্বতন নেতারা।

উল্লেখ্য, এর আগে পঞ্চম থেকে নবম সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন দলটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ২০১৮ সালের একাদশ নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দশম ও দ্বাদশ নির্বাচন বিএনপি বয়কট করেছিল। সেই হিসেবে এবারের ইশতেহার ঘোষণা তারেক রহমানের জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক মাইলফলক।

কেকে/ এমএস
আরও সংবাদ   বিষয়:  কল্যাণমুখী   সমৃদ্ধ দেশ   অঙ্গীকার   
মতামত লিখুন:

সর্বশেষ সংবাদ

‘শপিং, গ্রামে ফেরার তাড়া যেন রমজানের শেষ মুহূর্তের তাৎপর্য ভুলিয়ে না দেয়’
আমরা উন্নতি করতে চাই, তবে প্রকৃতি ধ্বংস করে নয় : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
গোপালপুরে সৌদি আরবের উপহার খেজুর বিতরণ
‘কিশোরগঞ্জ ভলান্টিয়ার্স’-এর ‘দুই টাকায় ইফতার’
বুড়িচংয়ে সারের অতিরিক্ত মূল্য আদায়, ন্যাশনাল ট্রেডার্সকে জরিমানা

সর্বাধিক পঠিত

চবির নতুন উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান
মৌলভীবাজারে ছোট ভাইকে হত্যার ঘটনায় বড় ভাই গ্রেপ্তার
মৌলভীবাজারে কাটাগাং খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন
শ্বশুরের নির্দেশে ২৮ বছর ধরে ঈদ উপহার বিতরণ করছেন বিএনপি নেত্রী
মহম্মদপুরে ব্যবসায়ীর ঘরে ভিজিএফের চাল, সিলগালা ও জরিমানা

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close