বাংলাদেশ ছাত্রকল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ‘নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষা’ শীর্ষক জাতীয় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাখাতের অগ্রাধিকার, নৈতিক শিক্ষা টেকসই শিক্ষা কাঠামো ও একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করা নিয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, মানসুরুল হক, প্রিন্সিপাল নূরে আলম তালুকদার, আরিফুল ইসলাম জিয়া, বেলাল আহমেদ, আনোয়ার হাবিব কাজল, মো. খলিলুর রহমান, মিজ মুস্তাকিমা ইসলাম মীম প্রমুক।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সুশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা নীতি ও শিক্ষা কারিকুলামে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা জরুরি এবং দেশে একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠন করা দরকার।
আলোচকদের মতে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরপরই শিক্ষা কমিশন গঠন অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত ছিল।
তারা উল্লেখ করেন, সরকার একাধিক কমিশন গঠন করলেও এখনো শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়নি, যা দুঃখজনক।
বক্তারা আরও বলেন,
জাতিকে জ্ঞান ও বিজ্ঞানে এগিয়ে নিতে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধির কমপক্ষে ৬ শতাংশ শিক্ষা বাজেট বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন।
তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে উপযোগী কারিকুলাম প্রণয়ন এবং একটি স্থায়ী শিক্ষা নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, ‘অতীতে বিশেষ ব্যক্তিকেন্দ্রিক কারণে শিক্ষা কমিশন গঠন সম্ভব হয়নি।;
তিনি প্রধান উপদেষ্টার প্রতি দ্রুত একটি স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের আহ্বান জানান।
আব্দুল লতিফ মাসুম মন্তব্য করেন যে, গত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে—যা থেকে উত্তরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকরা জানান, আলোচনায় উত্থাপিত প্রস্তাবনা ও সুপারিশ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী মহলে পৌঁছে দেওয়া হবে।
কেকে/এমএ