হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও অগ্রযাত্রার ইতিহাসে এটি এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার হামদর্দ নগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ সমাবর্তন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের মোট ১ হাজহার ৭৫৪ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি দেয়া হয়। একইসাথে কৃতিশিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে স্বর্ণপদক ও সম্মাননা দেয়া হয়, যা উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।
অনুষ্ঠানে চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
এই আনন্দঘন আয়োজনে বক্তব্য দেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান ও ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো. মনজারুল আলম।
হামদর্দ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পেশাগত নেতৃত্বে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুনকে দেয়া হয়েছে ফাউন্ডার’স গোল্ড মেডলে। ইন্ডাস্ট্রি ইমপ্যাক্ট ও প্রফেশনাল লিডারশিপে অসামান্য অবদানের জন্য হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশের সিনিয়র পরিচালক মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধ্যাপক কামরুন নাহার হরুন ইন্ডাস্ট্রি ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড প্রফেশনাল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং নেতৃত্ব বিকাশে তার অবদান বিশেষভাবে প্রশংসিত।
কামরুন নাহার হারুনকে মেডেল পরিয়ে দেন আ ফ ম খালিদ হোসেন।
প্রথম সমাবর্তনের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ শুধু শিক্ষার্থীদের সাফল্যকেই উদযাপন করছে না, বরং দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং দেশসেবায় মানসম্মত উচ্চশিক্ষার গুরুত্বকেও নতুন করে তুলে ধরছে।
কেকে/এমএ