মরুভূমির তপ্ত বালু আর দোহা শহরের আধুনিকতায় আজ অন্যরকম এক উন্মাদনা। গ্যালারি ভর্তি হাজার হাজার দর্শক আর সবার মুখে একটাই নাম— জেমস!
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এশিয়ান মেগা কনসার্টে পরিনত হয় এক টুকরো মিনি বাংলাদেশ। অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে ৯টার পরে শুরু হয়।
কাতারের মাটিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিতে মঞ্চে এলেন নগর বাউল। গিটারের তারে প্রথম টান পড়তেই পুরো স্টেডিয়াম যেন এক মহাকাব্যে রূপ নিল। ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ থেকে শুরু করে ‘মা’ কিংবা ‘ভিগি ভিগি’ গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়ে— প্রতিটি গানে দর্শকদের কণ্ঠ মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল সানাইয়া এশিয়ান টাউন এম্ফিথিয়েটার।
দীর্ঘ ১০ বছর পর কাতারে নগর বাউল জেমস এর সঙ্গে গান গেয়ে মাতান কন্ঠ শিল্পী তুসিবা। আয়োজক কমিটির প্রতি দর্শকদের ক্ষোভ থাকলেও মঞ্চে জেমস ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যায় প্রেক্ষাপট, বাড়তে থাকে প্রবাসীদের উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনা।
স্টেজ পারফরম্যান্স করার জন্য প্রস্তুত থাকলেও D4 dance সময়ের জন্য মঞ্চে উঠতে পারেনি। পরে অনেকটাই হতাশা নিয়ে মঞ্চের মাঠ ছাড়তে হয় দর্শকদের।
রাত গভীর হলেও উন্মাদনা কমেনি একটুও। কাতার দেখল এক পশলা গানের বৃষ্টি, যা মরুভূমির তপ্ত পরিবেশকে করে তুলল শীতল ও ছন্দময়। জেমস আবারও বুঝিয়ে দিলেন, সীমানা ছাড়িয়ে তিনি আজ বিশ্বমঞ্চের এক কিংবদন্তি।
কেকে/বি