বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একটি সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট, অন্যটি পরিবর্তনের বাংলাদেশের পক্ষের ভোট। মনে রাখবেন, ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি আর ‘না’ মানে গোলামি। ‘হ্যাঁ’ জিতে গেলে বাংলাদেশ জিতবে, আর হেরে গেলে বাংলাদেশ হেরে যাবে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ছৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীর সমর্থনে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার লাকসাম স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ছৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীর সমর্থনে এই জনসভার আয়োজন করা হয়।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের যুবকেরা রায় দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে—আমরা ইনসাফের সঙ্গে আছি। যারা মনে-প্রাণে সংস্কার চাইবে, আমরা তাদের সঙ্গেই থাকব। আজ যুবকেরা পুরোনো ও নতুন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
নারী ও মায়েদের সম্মানের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা আমাদের মায়ের ইজ্জতের ওপর হাত দেয়, তাদের অনুরোধ করি—তোমরা মায়েদের সম্মান করতে শেখো। যারা নিজের মাকে সম্মান করতে পারে না, তারা গোটা জাতি তথা অন্য মাকেও সম্মান জানাতে পারে না। তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের কাছে জীবনের চেয়ে মায়েদের ইজ্জতের মূল্য অনেক বেশি। সুতরাং কোথাও আমাদের মায়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করলে আমরা কাউকে ছেড়ে কথা বলব না।
আসন্ন নির্বাচনকে ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রায় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটের বুথে ঢুকে প্রথমে শক্ত করে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। ‘হ্যাঁ’ জিতে গেলে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে আসবে না; দুর্নীতিবাজ আর চাঁদাবাজের কবর রচিত হবে। এ সময় তিনি দ্বিতীয় ভোটটি ইনসাফের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’য় দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কুমিল্লা-৯ আসনের প্রার্থী ড. ছৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীর হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।
কুমিল্লা-৯ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াত নেতা অধ্যাপক ড. ছৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকির সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছূম ও মাওলানা আব্দুল হালিম।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাকসু ভিপি সাদেক কাইয়ুম, জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী ইয়াসির আরাফাত, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি ও জনসভা বাস্তবায়ন সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন এবং লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মু. জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী প্রমুখ।
কেকে/ এমএস