বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারির সমাবেশে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের লোকজনও অংশ নেবেন। দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রতিটি উপজেলা থেকে দলে দলে মানুষ এ সমাবেশে যোগ দেবেন। বিশেষ করে সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় ঘরে কোনো মানুষ থাকবেন না।
আমিরে জামায়াতের আগমনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিয়েছে বলে আমরা মনে করতে পারছি না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতিবাচক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আগামী সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় জনসভায় অংশ নেবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তার আগমনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, উপজেলা এলডিপির সভাপতি লিয়াকত আলী চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আ ন ম নোমান, পদুয়া ইউনিয়ন আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আ ক ম হামিদুল হক, পদুয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম সিকদার, কাজী জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, ঐতিহ্যবাহী এ মাঠে এর আগে বিভিন্ন সময়ে সাবেক আমিরে জামায়াত অধ্যাপক গোলাম আজম, সাবেক আমিরে জামায়াত শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের একাধিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি অত্র অঞ্চলের একটি বৃহৎ ও ঐতিহাসিক মাঠ হিসেবে পরিচিত।
চট্টগ্রাম মহানগর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গণভোটের ইতিহাস ভুলে গিয়ে বিএনপির বন্ধুরা ‘না’ ভোটের প্রচারণা করছেন। আমরা যদি চব্বিশের শহীদদের মর্যাদা দিতে চাই, তাহলে অবশ্যই জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে। সুতরাং জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের প্রতিদান দিতে সবাইকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।
কেকে/এলএ