যে কোনো জাতির মাঝে এমন কিছু মানুষের আবির্ভাব ঘটে, যারা কেবল ব্যক্তি হিসেবে নয় বরং সময়ের বিবেক, সামাজিক রূপান্তরের প্রতীক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নৈতিক দিকনির্দেশক হিসেবে ইতিহাসে স্থায়ী আসন করে নেন। তারা কোনো ক্ষমতার উত্তরাধিকার বহন করেন না, আবার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাও তাদের শক্তির উৎস নয়; তাদের শক্তি আসে সত্যনিষ্ঠ অবস্থান, নৈতিক দৃঢ়তা ও জনমানুষের সঙ্গে একাত্মতা থেকে। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস (৪৭০-৩৯৯ খ্রিষ্টপূর্ব) রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের সামনে আপসহীন হয়ে মৃত্যুকে বেছে নিয়েছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনৈতিক নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা (১৯১৮-২০১৩) কারাগারের অন্ধকারে থেকেও বৈষম্যের বিরুদ্ধে নৈতিক আলো জ্বালিয়ে রেখেছিলেন, আর মার্কিন ভাষাতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক সমালোচক নোম চম্স্কি (১৯২৮-) ক্ষমতার কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদ ও বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্বের বিরুদ্ধে নিরন্তর সত্য উচ্চারণ করে গেছেন। এঁদের সবার মধ্যেই একটি মিল হলো ক্ষমতার নিকটবর্তী না হয়েও তারা ছিলেন মানুষের নিকটবর্তী, আর শাসক ও শোষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে তারা দেখেছেন নৈতিক কর্তব্য হিসেবে। শরীফ ওসমান হাদি সেই ঐতিহাসিক ধারারই বাংলাদেশের এক সমকালীন প্রতিনিধি, যিনি প্রতিবাদকে কেবল রাজনৈতিক কৌশল বা দলীয় অবস্থান হিসেবে নয়, বরং নৈতিক দায়িত্ব ও মানবিক দায় হিসেবে ধারণ করেছিলেন।
হাদির রাজনীতি ছিল সুবিধাবাদের বিপরীতে দাঁড়ানো এক নৈতিক প্রত্যয়; যেখানে অন্যায়কে চিহ্নিত করা যেমন জরুরি, তেমনি তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো ছিল অবধারিত কর্তব্য। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দেন, রাষ্ট্র ও সমাজ কেবল আইন, প্রশাসন কিংবা শক্তির ভারসাম্যে পরিচালিত হয় না, সেগুলোর প্রাণশক্তি নিহিত থাকে নাগরিক বিবেক, ন্যায়বোধ ও মানবিকতার চর্চায়। এই অর্থে ওসমান হাদির উপস্থিতি ছিল গণঅভ্যুত্থান-উত্তর সময়ের জন্য এক সতর্ক সংকেত এবং ভবিষ্যতের জন্য এক নৈতিক মানদণ্ড। যে মানদণ্ড আমাদের সামনে প্রশ্ন তোলে: আমরা কোনো ধরনের বা কেমন রাষ্ট্র চাই? আর সেই রাষ্ট্র গঠনে আমাদের নৈতিক অবস্থান কোথায়? তার বক্তৃতা ও সামাজিক–রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল কাগুজে স্লোগানের সীমা অতিক্রম করে গড়ে ওঠা বাস্তবে এক জীবন্ত নৈতিক অনুশীলন। তিনি যে ভাষায় কথা বলেছেন, তা শুধু মঞ্চের উত্তেজনা বা মুহূর্তের আবেগে আবদ্ধ ছিল না; বরং তা ছিল তার গভীর চিন্তা, সুস্পষ্ট উপলব্ধি ও নৈতিক দায়বদ্ধতার ধারাবাহিক প্রকাশ। দর্শনের ভাষায় বললে, তিনি ‘ন্যায়’-কে কোনো বিমূর্ত নৈতিক আদর্শ হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং একে বাস্তব জীবনের কর্মসূচি, সামাজিক দায়িত্ব ও রাজনৈতিক অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করেছিলেন। তার বক্তব্য ও কর্মে ন্যায় ছিল এমন এক চর্চা, যা প্রতিদিনের সিদ্ধান্ত, প্রতিবাদ ও ঝুঁকি নেওয়ার মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রকাশ করেছে।
হাদির দেশপ্রেম কেবল আবেগনির্ভর বা স্লোগানসর্বস্ব কোনো অনুভূতি ছিল না; বরং তা ছিল যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতা, সামাজিক বৈষম্য প্রত্যক্ষ করা এবং রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের মুখোমুখি হওয়ার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এক গভীর নৈতিক দায়িত্ববোধ। তার কাছে দেশপ্রেম মানে পতাকা বা উচ্চারণমাত্র নয়, বরং দেশের মানুষের প্রতি দায় স্বীকার করা; বিশেষত সেই মানুষদের প্রতি, যারা ক্ষমতার ভাষায় অদৃশ্য থেকে যান। এই অর্থে তার দেশপ্রেম ছিল আত্মতুষ্টির নয়, আত্মসমালোচনার; প্রশংসার নয়, প্রশ্নের। রাজনৈতিক দর্শনের ভাষায় একে বলা যায় ‘নৈতিক দেশপ্রেম’ যেখানে দেশকে ভালোবাসা মানে ক্ষমতার প্রশংসা করা নয়, বরং ক্ষমতার অন্যায়কে প্রশ্ন করার সৎ সাহস দেখানো; প্রয়োজনে ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার নৈতিক ও কৌশলী রাজনীতিতে অবতীর্ণ হওয়া। এই ধারণা প্রাচীন গ্রিক দর্শন থেকেই আমাদের কাছে পরিচিত। অ্যারিস্টটল (৩৮৪-৩২২ খ্রিষ্টপূর্ব) বলেছিলেন, রাজনীতির লক্ষ্য কেবল শাসন নয়, বরং ‘সুন্দর জীবন’ (গুড লাইফ) নিশ্চিত করা, আর সেই জীবন নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন হলে রাষ্ট্র টেকে না। পরবর্তীতে সমকালীন চিন্তাবিদরাও একই সুরে বলেছেন নৈতিকতা থেকে বিচ্ছিন্ন রাজনীতি সমাজকে স্থিতি দেয় না; বরং নাগরিক জীবনকে ক্রমশ বিষাক্ত, ভীতিকর ও অনিরাপদ করে তোলে। ওসমান হাদি এই বাস্তবতা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন বলেই তিনি বিশ্বাস করতেন, নৈতিকতাবিহীন রাজনীতি মানুষের মুক্তি কিংবা কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে না। তার আন্দোলন ও বক্তব্যে তাই ক্ষমতা দখলের তাড়না নয়, বরং ক্ষমতাকে নৈতিক মানদণ্ডে বাঁধার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল।
ওসমান হাদির রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ক্ষমতার অংশীদার হওয়ার অভীপ্সা থেকে নয়; বরং তা ছিল ক্ষমতাবানদের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে হাতে–কলমে গণমুখী রাজনীতির পাঠ দেওয়ার প্রয়াস। তার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র কোনো দলীয় যন্ত্র, ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর হাতিয়ার কিংবা নির্বাচনি লাভ–ক্ষতির হিসাব নয়; বরং রাষ্ট্র হলো বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী নাগরিকদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য গড়ে ওঠা এক নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো। এই রাষ্ট্র যদি নাগরিকের জীবনের মূল্য, কণ্ঠস্বর ও ন্যায্যতার দায় স্বীকার করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অস্তিত্ব নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে এই উপলব্ধিই তার রাজনীতির মূল প্রেরণা ছিল।
ইংরেজ দার্শনিক জন লকের (১৬৩২-১৭০৪) ‘সামাজিক চুক্তি’ তত্ত্বের আলোকে বলা যায়, ওসমান হাদি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে রাষ্ট্রের বৈধতা কোনো ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার, বলপ্রয়োগ কিংবা দলীয় আধিপত্য থেকে আসে না; তা আসে নাগরিকের সম্মতি, আস্থা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সক্ষমতার মধ্য দিয়ে। লক যেমন বলেছিলেন, রাষ্ট্র গঠিত হয় মানুষের স্বাভাবিক অধিকার তথা জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য; হাদির রাজনৈতিক অবস্থানও সেই নীতিরই সমকালীন প্রতিধ্বনি। মানুষের প্রতি হাদির ভালোবাসা কেবল আবেগঘন বক্তৃতা বা মঞ্চনির্ভর উচ্চারণে সীমাবদ্ধ ছিল না; তা প্রকাশ পেয়েছিল নিঃস্বার্থ ও দায়িত্বশীল এক নৈতিক অঙ্গীকারের বাস্তবায়নে নানামুখী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে। তিনি যে মানুষের কথা বলেছেন, তাদের সঙ্গেই থেকেছেন তাদের ভোগান্তি দেখেছেন ও শুনেছেন, সবার বঞ্চনার অভিজ্ঞতাকে নিজের রাজনৈতিক উপলব্ধির অংশ বানিয়েছেন। এই কারণে তার রাজনীতি ছিল গণমানুষের আকাক্সক্ষার সঙ্গে দূরত্বহীন; কেবল শোষিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিতের প্রতি সহানুভূতি নয়, হয়ে ওঠেছে সহমর্মিতা ও সহভাগিতার রাজনীতি।
তিনি ভালো করেই জানতেন, ন্যায়ের পথে তার এই প্রতিবাদী অবস্থান তাকে কায়েমী সুবিধাবাদীদের আক্রমণের নিশানা বানাবে। অধিকারহারা বঞ্চিত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানে প্রায়শই একা হয়ে যাওয়া, এমনকি পরিচিত মহল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া, সুবিধাজনক নীরবতার বাইরে চলে যাওয়া। এই সত্য তিনি গোপন করেননি; বরং সুস্পষ্টভাবে তার বক্তব্যে তা তুলে ধরেছেন। তবু সেই নিঃসঙ্গতাকে তিনি দুর্বলতা হিসেবে দেখেননি; বরং সচেতনভাবে বেছে নিয়েছিলেন এবং হাসি মুখে আলিঙ্গন করেছেন এক নৈতিক অবস্থান হিসেবে এক দুর্দান্ত সাহসে ও সুতীব্র বিশ্বাসে। কারণ তার কাছে আদর্শই ছিল রাজনীতির সর্বোচ্চ মানদণ্ড জনমত, ক্ষমতা কিংবা স্বল্পমেয়াদি লাভ নয়। তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রকৃত পরিবর্তন আসে বক্তৃতার চেয়ে দৃষ্টান্তের মাধ্যমে। দৃষ্টান্তই হলো সেই সূচনাবিন্দু, যেখান থেকে পরিবর্তনের রাজপথ তৈরি হয়। তাই তার নিজের জীবন ও আচরণকেই তিনি রাজনৈতিক বার্তায় রূপ দিয়েছিলেন। এই অর্থে ওসমান হাদির জীবন ছিল এক জীবন্ত পাঠ যেখানে শেখানো হয়েছে, ন্যায়কে বিশ্বাস করাই যথেষ্ট নয়; ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহসই শেষ পর্যন্ত সমাজকে এবং ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।
আজ যখন আমাদের সমাজের সর্বত্র আপস, সুবিধাবাদ ও নীরবতার সংস্কৃতি জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসেছে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠেছে রাষ্ট্রযন্ত্রের নানাস্তরে, ঠিক তখনই শরিফ ওসমান হাদির মতো একজন সাধারণ মানুষ ইতিহাসের মঞ্চে দাঁড়িয়ে জাতির বিবেকের প্রতীকে রূপান্তরিত হন; হয়ে ওঠেন জাতীয় বীর। সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নৈতিক সংকটের মুহূর্তে তিনি কেবল প্রতিবাদী কণ্ঠই নয়; বরং হয়ে ওঠেন ভেঙেপড়া সমাজ কাঠামো ও রাষ্ট্রবির্নিমাণে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর এক নৈতিক বৈপ্লবিক উদাহরণ এবং ইনসাফের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কালচারাল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজাদীর আন্দোলেনর সুদৃঢ় সেতু। তাই গণঅভ্যুত্থানের পর উদ্ভূত সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পেছনমুখী স্রোতকে ঠেকাতে হাদির অবস্থান ছিল সুস্পষ্ট ও অটল। তিনি আপসের আরামদায়ক নীরবতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে সাহসকে সামাজিক দায়ে রূপান্তরিত করেছেন। তার সেই অবস্থান কেবল ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ নয়, বরং তিনি সেটা বাস্তবে প্রয়োগ করেছেন গণমানুষের স্বার্থ রক্ষা ও ন্যায়বিচারের জন্য নিখুঁত সামষ্টিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার জন্য সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব গ্রহণের মাধ্যমে। এই যোগ্য ও শক্তিমান সাহসের কারণেই কায়েমী স্বার্থান্বেষী এবং ক্ষমতার অপব্যবহারকারী মহলের কোপানালে তিনি অকালে প্রাণ হারিয়েছেন, কিন্তু তার নৈতিক প্রেরণা চিরজাগরূক থাকবে আগামীর প্রজন্মের কাছে।
দল, মত, ধর্ম, বর্ণ বা পেশা নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশির জন্য ওসমান হাদি লড়েছেন ইনসাফের পক্ষে, জুলুমের বিপক্ষে, বৈদেশিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতি হিসেবে আত্মমর্যাদা রক্ষায়, এবং রাষ্ট্রের সার্বিক স্বাধীনতা ও জনগণের কল্যাণের জন্য। এই কারণেই শরিফ ওসমান হাদি কেবল একজন ব্যক্তি নন; তিনি এক নৈতিক অবস্থানের নাম যেখানে আজাদীর আকাক্সক্ষায় ন্যায়, মানবিকতা এবং গণমুখী রাজনীতি সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। তার জীবন ও চিন্তা নতুন প্রজন্মকে শেখিয়েছে কীভাবে ক্ষমতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করতে হয়, প্রতিশোধপরায়ণ না হয়ে কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত হতে হয়, এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কীভাবে সামষ্টিক কল্যাণে ন্যায়ের পক্ষে লড়তে হয়। ইতিহাস প্রমাণ দেয়, যারা সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে দাঁড়ান, তাদের কণ্ঠ সময়ের সীমা পেরিয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে পথ দেখায়। সেই অর্থে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি বাংলাদেশের এ প্রজন্মের তরুণদের সামষ্টিক স্মৃতিতে রয়ে যাবেন যুগের নাকিব হিসেবে। আর আগামী প্রজন্মের কাছে তিনি উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের এক নৈতিক মাপকাঠি হিসেবে, যারা বাংলাদেশকে এবং এদেশের মানুষকে ভালোবাসে তাদের সচেতন, দায়বদ্ধ এবং গণমুখী রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতে শেখাবে। তার দেখানো নৈতিক সাহস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার পথেই হয়তো বাংলাদেশের মানুষ খুঁজবে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি। তাই গণমানুষের আশা আকাক্সক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে ওসমান হাদি বাংলাদেশের ইতিহাসে রয়ে যাবে যুগসন্ধির এক বৈপ্লবিক নেতা হিসেবে।
লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য
কেকে/ আরআই