নতুন প্রজন্মকে দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে কর্মব্যস্ত প্রবাস জীবনে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শীতকালীন পিঠা-পুলির আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা এবং প্রবাসীদের মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন তৈরি করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ সমিতি আজমানের উদ্যোগে আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন ও পিঠা উৎসবে বক্তারা এসব কথা বলেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) শারজাহ ন্যাশনাল পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব কামাল হোসাইন খান সুমনের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সমিতি আজমানের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ মোস্তফা মাহমুদ, সিনিয়র কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ফুজেইরার সভাপতি মো. বেলাল হোসেন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন শারজাহর সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী করিমুল হক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন উম্ম আল কুয়াইনের সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এনাম, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতি আমিরাতের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মাহে আলম এবং চট্টগ্রাম সমিতি আমিরাতের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা সিআইপি।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সমিতি আজমানের এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য শাহীনুর শাহীন, শেখ সেলিম, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সিআইপি, মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন, আলিম উদ্দিন জমসেদ, ফজলুর রহমান খান পাপ্পু, হুমায়ুন কবীর, নাজিম উদ্দিন, শামীম আহমেদ, ফরিদ হোসেন, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, আলতাফ হোসেন সিআইপি, আনোয়ার হোসেন, এহসান চৌধুরী, মোহাম্মদ নাজমুল করিম, কামরুল ইসলাম, নাসিরুল হক ও কবি ওবাইদুল হক।
কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম রুপু, মাজহারুল ইসলাম মাহবুব, শেফালি আক্তার আঁখি, শহীদুল ইসলামসহ আরব আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশে বসবাসরত পাঁচ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে পিঠা-পুলি প্রতিযোগিতা, র্যাফেল ড্র, বালিশ বদল ও হাঁড়ি ভাঙা প্রতিযোগিতাসহ শিশুদের জন্য ছিল বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন। পিঠা-পুলির মধ্যে ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, দুধপিঠাসহ দেশীয় নানা ধরনের পিঠা ও পায়েস পরিবেশন করা হয়। সব প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
কেকে/এলএ