গণঅভ্যুথান পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামো একসঙ্গে টালমাটাল হয়ে ওঠছে। অপরাপর সহিংসতা, উগ্রতা ও উসকানির শব্দ ক্রমেই উচ্চকিত হচ্ছে, অথচ রাষ্ট্রযন্ত্র নিস্তব্ধ। নাগরিকরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত, গণমাধ্যম আত্মরক্ষায় ব্যস্ত, শিক্ষা ও সংস্কৃতির পরিসর সংকুচিত। এ প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন ওঠে, আমরা কি ধীরে ধীরে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কোনো সুরক্ষিত পথ অবশিষ্ট থাকবে না।
জাতিসংঘের সংঘাত বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বহু আগেই সতর্ক করা হয়েছে যে, গৃহসংঘাত বা রাষ্ট্রীয় বিপর্যয় কখনো হঠাৎ আসে না। এটি জন্ম নেয় আইনের শাসনের দুর্বলতা থেকে, তারপর সহিংসতা ধীরে ধীরে সামাজিকভাবে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় এ ধাপগুলো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। সহিংস ঘটনার পর বিচারহীনতা, প্রশাসনিক নীরবতা এবং রাজনৈতিক দ্বিধা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। রাষ্ট্র যখন নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তখন সমাজ নিজেই অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হয়।
আজকের বাংলাদেশে নাগরিক জীবন প্রতিদিন কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা অনিশ্চিত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বারবার বন্ধ বা অকার্যকর, সংস্কৃতি চর্চা সংকুচিত, তথ্যের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী এক দশকে দেশের মানবসম্পদ ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার মানুষ, জ্ঞান ও সৃজনশীলতার ওপর, যা বর্তমানে ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার চিত্র বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। বৈশ্বিক সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত নিচে নেমে যাওয়া কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি রাষ্ট্রীয় গণতন্ত্রের স্বাস্থ্য নির্দেশ করে। সাংবাদিকরা নিয়মিত হুমকি, মামলা ও সামাজিক নিপীড়নের মুখে পড়ছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বড় একটি অংশ এখন স্ব-নিয়ন্ত্রণমূলক প্রতিবেদনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন, যা জনসাধারণের তথ্য জানার অধিকারকে সংকুচিত করছে।
যখন সংবাদমাধ্যম দুর্বল হয় তখন নাগরিকরাও অন্ধকারে থাকে। তথ্যের অভাবে সরকারি জবাবদিহিতা ক্ষীণ হয়ে পড়ে, গুজব ও অপপ্রচার শক্তিশালী হয়। সামাজিক মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত, কিন্তু সত্য যাচাই করার শক্তিশালী কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতি গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ গণতন্ত্রের মূল শক্তি হলো- সচেতন নাগরিক সমাজ।
শিক্ষা ও সংস্কৃতির ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ এ সংকটকে আরও গভীর করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ব্যাহত হয়েছে, সাহিত্য আড্ডা বাতিল হয়েছে, নাট্যচর্চা সীমিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো ২০২৫ সালের বিশ্লেষণে বলেছে, সংস্কৃতির ওপর আঘাত মানেই সমাজের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর আঘাত। একটি জাতির পরিচয় তার ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলার মধ্য দিয়েই বিকশিত হয়।
বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও সামাজিক উদ্ভাবনও স্থবির হয়ে পড়ে। ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিসরে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও নিরাপত্তাহীনতা তরুণ শিল্পীদের মধ্যে ভয় ও হতাশা তৈরি করছে। এর ফলে সৃজনশীল অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা কর্মসংস্থান ও নগর উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।
মানবসম্পদের দিক থেকেও বাংলাদেশ চাপে রয়েছে। সাম্প্রতিক মানব উন্নয়ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, একটি শিশু তার সম্ভাবনার অর্ধেকের কিছু বেশি অর্জন করতে পারছে। শিক্ষাগত বিঘ্ন, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সামাজিক অস্থিরতা এ সীমাবদ্ধতার মূল কারণ। গবেষণায় স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে, রাজনৈতিক সংঘাত শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ আয়ের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
বর্তমান সংকটে ডিজিটাল পরিসর বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক দ্বিমুখী তলোয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একদিকে এটি তথ্য প্রচারের মাধ্যম, অন্যদিকে এটি ঘৃণা ও গুজব ছড়ানোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (অও) ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য তৈরি এবং পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক বা রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ানোর হার অনেক বেড়েছে। রাষ্ট্র যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তখন অনলাইন দাঙ্গা খুব সহজেই রাজপথে সহিংসতায় রূপ নেয়। তথ্যের সত্যতা যাচাই করার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব এ সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।
বর্তমান সংকটে তথ্যের প্রবাহ অবাধ হলেও একটি সুক্ষ্ম ‘ডিজিটাল বিভাজন’ তৈরি হয়েছে। একদল মানুষ তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, অন্যদল সঠিক তথ্যের অভাবে বিভ্রান্ত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে নিরপেক্ষ তথ্য না পৌঁছানোর ফলে তারা সহজেই উগ্রবাদ বা গুজবের শিকার হচ্ছে। এ তথ্যগত বৈষম্য সমাজের ভেতরে মেরুকরণকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাষ্ট্র যদি তথ্যের সমবণ্টন এবং সত্যতা যাচাইয়ের ডিজিটাল স্বাক্ষরতা তৈরি করতে না পারে, তবে এ বিভাজন সামাজিক সংহতিকে চিরতরে বিনষ্ট করবে।
ঢাকার প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলমান অস্থিরতার কারণে শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ নিয়মিত শিক্ষাক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শিক্ষাজীবনের এ ক্ষতি কখনো পূরণ হয় না। একটি প্রজন্ম যখন শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তখন সেই ক্ষতির প্রভাব পুরো জাতিকে বহন করতে হয়। মানবসম্পদ দুর্বল হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নও স্থায়ী হয় না।
রাষ্ট্রের অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে মেধাবী তরুণদের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিভাবান তরুণদের একটি বিশাল অংশ এখন দেশ ছাড়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। অভিবাসন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে মেধাপাচারের হার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তরুণরা যখন তাদের মেধা ও শ্রম দেশের উন্নয়নে বিনিয়োগ না করে বিদেশে স্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখে, তখন জাতির ভবিষ্যৎ বুদ্ধিবৃত্তিক শূন্যতার মুখে পড়ে। এই শূন্যতা দীর্ঘমেয়াদে দেশের নীতি নির্ধারণ ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে পঙ্গু করে দেবে।
বাংলাদেশের বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি। যখন প্রকাশ্য দিবালোকে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরও দৃশ্যমান কোনো বিচার হয় না, তখন অপরাধীরা রাষ্ট্রের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালের প্রশাসনিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আর নিরপেক্ষ সেবা প্রদানকারী হিসেবে নয়, বরং নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষাকারী হিসেবে কাজ করছে। এ প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষয় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাষ্ট্রের প্রতি চরম অনাস্থা তৈরি করে। আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে সমাজ তখন পেশিশক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে, যা একটি অকার্যকর রাষ্ট্র গঠনের প্রথম লক্ষণ।
এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রের নীরবতা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। যখন ছাত্র, সাংবাদিক ও সাধারণ নাগরিকের ওপর হামলার পর দৃশ্যমান জবাবদিহিতা থাকে না, তখন ভয় সমাজে স্থায়ী রূপ নেয়। এ ভয় মানুষকে নীরব করে দেয়, প্রতিবাদকে স্তব্ধ করে দেয়। ভয়ের সংস্কৃতি গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ কমিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্য হলো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, যা বর্তমানে নানা উসকানিতে হুমকির মুখে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা সমাজকে বিভক্ত করে দিচ্ছে। সংখ্যালঘুদের মনে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা জাতীয় সংহতিকে দুর্বল করছে। রাষ্ট্র যদি প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় ও জাতিগত অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তবে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। সম্প্রীতির এ ফাটল মেরামত করা না গেলে বাংলাদেশ তার অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিচয় হারাবে।
গণতন্ত্র কেবল নির্বাচন নয়, এটি মত প্রকাশ, প্রশ্ন তোলা এবং ভিন্নমত সহ্য করার ক্ষমতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। যখন এ পরিসর সংকুচিত হয়, তখন রাষ্ট্র ধীরে ধীরে কর্তৃত্ববাদী ঝুঁকির দিকে অগ্রসর হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক বিস্ফোরণ অনিবার্য হয়ে ওঠে।
রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার আড়ালে পরিবেশগত বিপর্যয়ের বিষয়টি চরমভাবে উপেক্ষিত থাকছে। নদী দখল, বায়ুদূষণ এবং নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে। পরিবেশ গবেষণায় ঢাকাকে বিশ্বের অন্যতম বসবাসের অযোগ্য শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রশাসন যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা সামলাতে ব্যস্ত থাকে, তখন পরিবেশ দস্যুরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। দীর্ঘমেয়াদে এ জলবায়ু ঝুঁকি ও পরিবেশগত অবক্ষয় দেশের অর্থনীতি ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারকে বিপন্ন করে তুলবে।
বাংলাদেশের সামনে এখনো সুযোগ রয়েছে। রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসন, সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বিত উদ্যোগ এ সংকট থেকে উত্তরণের পথ দেখাতে পারে। সহিংসতার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতির সুরক্ষা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির আগ্রাসন থেকে মুক্ত রাখা সময়ের দাবি।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সংকট কেবল দেশের ভেতরে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলো তাদের নিজ নিজ স্বার্থে বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতাকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। বৈদেশিক ঋণ ও কূটনৈতিক চাপের কারণে সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সংকুচিত হচ্ছে। রাষ্ট্র যদি অভ্যন্তরীণ সংহতি ফিরিয়ে আনতে না পারে, তবে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপ আরও তীব্র হবে। জাতীয় ঐক্যই হতে পারে এ ভূ-রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা করার একমাত্র ঢাল।
যেসব দেশ সংকটময় মুহূর্তে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করেছে, তারাই দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এ শিক্ষা প্রযোজ্য। শক্তিশালী আইন, শাসন, নাগরিক আস্থা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কৃতি পুনর্গঠনই হতে পারে উত্তরণের চাবিকাঠি।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোনো পূর্বনির্ধারিত নিয়তি নয় বরং এটি আমাদের সমষ্টিগত সিদ্ধান্তের প্রতিফলন। আজকের সহিংসতা ও বিভাজনের বিরুদ্ধে আমাদের নীরবতা দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করবে। তাই এখনই সময়- ভয়ের সংস্কৃতি ভেঙে মানবসম্পদ, মুক্ত সংস্কৃতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিনিয়োগ করার। বিশ্ব বাস্তবতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথ বেছে নিতে হবে। একটি বৈষম্যহীন, শিক্ষিত এবং নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণে প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণই হতে পারে ধ্বংসের হাত থেকে উত্তরণের একমাত্র চাবিকাঠি। অন্ধকার ঠেলে আলোর পথে যাত্রাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
লেখক : কলামিস্ট
কেকে/ আরআই