আলী আসকরের কিশোরগল্প

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ | ৫ কার্তিক ১৪২৭

আলী আসকরের কিশোরগল্প

নূর নাহার নিপা ৬:৫৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০২০

print
আলী আসকরের কিশোরগল্প

আশির দশক থেকে লেখালেখি করছেন আলী আসকর। সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চায় নিবেদিতপ্রাণ। ছড়া ও গল্পের পাশাপাশি উপন্যাস লিখেছেন। তার গল্প মানেই পাঠকের জন্য অন্যরকম চমক। গল্পের চরিত্র নির্মাণ, ভাষা বিন্যাস ও শব্দের গাঁথুনিতে গল্পপ্রেমী পাঠক মুগ্ধ। দু’হাতে লিখেছেন চমৎকার সব গল্প। ‘নিউটন মামা ও কালো ভূত’ বইয়ের প্রতিটি গল্পে তৃপ্তি পাবে সব শ্রেণির পাঠক।

শিশু-কিশোরদের মনোজগতে চমৎকারভাবে বিচরণ করতে পারেন। ছোটদের জন্যে লেখা তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘অতিথি বিড়াল’। দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘নিউটন মামা ও কালো ভূত’। গল্পগুলোতে লুকিয়ে আছে কবির স্মৃতিমাখা কিশোরবেলা। যা পাঠকদের নাড়া দেয়। টুকুর কবিতা, গল্পটি অনন্য একজন শিক্ষক মেধাবী ছাত্রের কবিতা পড়ে, লেখা দেখে তাকে যে সম্মান দেখালেন তা অনবদ্য। স্যার নির্বাক হয়ে গেলেন। অপ্রত্যাশিত স্বীকৃতি পেয়ে অভিভূত হলো সে; একজন সম্মান এত বেশি হয় তা টুকুর

জানা ছিল না। প্রাণী নিয়ে গল্পেও লেখক মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।

‘বাচ্চাটাকে মায়া লাগল। কিনে ফেললাম। বাচ্চাটা কসাইয়ের হাতে চলে গেলে কী হত বলো তো? কী হতো?

জবাইয়ের সময় সারা দুনিয়া হু হু করে উঠত।

মানুষের ওপর প্রাণী জগতের শ্রদ্ধাবোধ চলে যেত। এত সুন্দর দরদি উপমা একজন গল্পকার লিখতে পারেন যার ভেতর অসাধারণ প্রভিতা সুন্দর মন থাকে। ছাগলকে ভালোবেসে ‘ফুলকলি’ নামকরণ। পশুর প্রতি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা আবেগ সৃষ্টি করে ফুলকলি গল্পটি ভিন্ন আমেজ সৃষ্টি করে। এটাই লেখকের সার্থকতা। বইয়ের অন্য গল্পগুলোও সুখপাঠ্য।