আশ্চর্যের আকাশ

ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৭

আশ্চর্যের আকাশ

আবিদ আরিফিন ওহী ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

print
আশ্চর্যের আকাশ

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তেই আমরা যাই না কেন। সকল স্থানেই একটি জিনিস লক্ষ করি। কী সেটা বলো তো বন্ধুরা? আকাশ! হ্যাঁ, আজ আমরা জানব আকাশ সম্পর্কে। আকাশকে দেখে এক বিশাল ছাউনি মনে হলেও আসলে তা কিন্তু এক গ্যাস ভর্তি ফাঁকা জায়গা। আমরা মাথার উপরে যা দেখি তা হল পৃথিবীর বায়ুম-ল। সেখানে রয়েছে অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, মিথেন ইত্যাদি।

এখানে প্রায় বিশ রকমের গ্যাস বিদ্যমান। এগুলো সবই বর্ণহীন। তাই যদি হয় তবে আমরা আকাশকে নীল দেখি কেন? কারণ আর কিছু না বায়ুম-লের নানান গ্যাসের অণু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এসব গ্যাসের কণাগুলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র।

যা আলোর ঢেউ সহজেই ছিটিয়ে দিতে পারে। এই আলোর ঢেউকেই আমরা নীল রঙ হিসেবে দেখি। সকাল ও সন্ধ্যায় আমরা আকাশকে হালকা লালচে দেখি। কারণ মেঘ আর বাতাসের ধূলিকণার ভেতর দিয়ে এত লম্বা পথ পেরিয়ে আসতে পারে কেবলই সূর্যের লালচে রঙ। কিন্তু দুপুর বেলা সূর্যের কিরণ পৃথিবীর বায়ুস্তর লম্বভাবে ভেদ করে পৃথিবীতে চলে আসে। তাই তখন আমরা সূর্যের আসল রঙ দেখি।

প্রিয় বন্ধুরা, গল্পের শেষে তোমাদের জন্য থাকল মজার তথ্য। প্রাচীনকালে লোকজন ভাবত আকাশ একটি কঠিন পদার্থ দিয়ে তৈরি সামিয়ানা।

আবার কেউ ভাবত, আকাশকে পরতে পরতে ভাগ করা হয়েছে। হাস্যকর হলেও সত্য, তারা আকাশে বেলুন উড়িয়ে পরীক্ষা করত যে বেলুন কি আকাশের ভেতরে চলে যায় নাকি আকাশের সঙ্গে ধাক্কা লেগে থেমে থাকে! আকাশ নিয়ে আমরা যতই বলি বা লিখি না কেন, আকাশের অনেক রহস্য আজও রহস্যই থেকে গেছে।

ষষ্ঠ শ্রেণি, শিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী