প্লুটোর গায়ে আস্ত সমুদ্র!

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯ | ৩ কার্তিক ১৪২৬

প্লুটোর গায়ে আস্ত সমুদ্র!

শফিকুর রহমান ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯

print
প্লুটোর গায়ে আস্ত সমুদ্র!

২০১৫ সালের জুলাইয়ে নাসার নিউ হরাইজন নামের মহাকাশযান প্লুটোর ছবি তুলে এনেছিল। সেই ছবি দেখেই জানা গিয়েছিল, সূর্য থেকে অনেক-অনেক দূরের এই বামন গ্রহের গায়ে বিশাল জায়গাজুড়ে একটা গর্তের মতো আছে। তার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘স্পুটনিক প্লেনিশিয়া’। আরও জানা গিয়েছিল, প্লুটোর গায়ে একটা বরফের আস্তরণ আছে। প্রশ্নটা বিজ্ঞানীদের মাথায় ঘুরছিল তখন থেকেই, তা হলে কি প্লুটোর গায়ের বরফের আস্তরণের তলায় জল থাকতে পারে? কিন্তু জল থাকবেই বা কী করে? সাড়ে চারশ’ কোটি বছর আগে প্লুটো তৈরি হয়ে থাকলে এতদিনে সমস্ত তাপ ছেড়ে ঠাণ্ডা কঠিন বরফের গোল্লায় পরিণত হওয়ার কথা ছিল প্লুটোর। তা হলে প্লুটোর পেটের মধ্যে যদি জল থেকেও থাকে, সেটা তাপ ছেড়ে ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে না কেন?

জাপানের একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি দাবি করেছেন, তারা এই রহস্য ভেদ করে ফেলেছেন। কীরকম? বিজ্ঞানীদের ওই দল বলছে, এ আর এমন কী আশ্চর্য ঘটনা! প্লুটোর গায়ের ওই বরফের চাদরের তলায় নির্ঘাত গ্যাসের একটা আস্তরণ আছে। আর তার তলায় আছে জল। মাঝের ওই গ্যাসের চাদর তাপের ভীষণ কুপরিবাহী হওয়ায় প্লুটোর পেটের ওই জল তাপ ছেড়ে ঠাণ্ডা হতে পারে না।

সে না হয় হলো। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিজ্ঞানীদের এই দাবি যদি সত্যিও হয়, তাতে আমাদের কি? বা রে! সূর্য থেকে এত দূরের ঠাণ্ডা এক বামন গ্রহে যদি জল থাকতে পারে, তার মানে কী দাঁড়ায়? মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা ছোট-বড় অন্য নানা গ্রহ উপগ্রহেও তার মানে জল থাকা অসম্ভব নয়।