রহস্যময় গর্ত

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২১ | ৬ মাঘ ১৪২৭

রহস্যময় গর্ত

ডেস্ক রিপোর্ট ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২০

print
রহস্যময় গর্ত

ওয়াশিংটনের এলনসবার্গে গর্তটির অবস্থান। এটি তলাবিহীন গর্ত নামেও পরিচিত। অনেক বছর আগে কোস্ট টু কোস্ট নামে একটি এফএম রেডিও চ্যানেল ছিল। যে চ্যানেলে কোনো গান-বাজনা বা আজগুবি কোনো গল্প ব্রডকাস্ট করা হত না। এই চ্যানেলে ব্রডকাস্ট করা হতো কেবলমাত্র ইন্টেলিজেন্স, মিস্টেরিয়াস এবং প্যারানরমাল সব গল্প।

এই চ্যানেলে অনেক রহস্যপূর্ণ গল্প শোনানো হয়েছে। যা সেই সময় ছিল তুমুল জনপ্রিয়। এ রেডিও চ্যানেলে যেসব রহস্যপূর্ণ গল্প এ পর্যন্ত ব্রডকাস্ট করা হয়েছে, তার মধ্যে একটি রহস্যপূর্ণ গল্প রয়েছে। যা সবাইকে অবাক করে দেয়।

১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখে এই গল্পটি ব্রডকাস্ট করা হয়েছিল। আর সেদিন এ গল্পটি বলেছিলেন মেল ওয়াটার নামক একজন আমেরিকান ব্যক্তি। সেই ব্যক্তি সে শোটির হোস্টকে একটি রহস্যপূর্ণ গভীর গল্প সম্পর্কে বলেছিলেন। মূলত তার নাম অনুসারেই এই গর্তটির নামকরণ হয় মেল’স ওয়াটার নামে।

ওই গর্তটি ছিল মেলের নিজের জমির অংশবিশেষ। মেইল ওয়াটার যতদিন এই গভীর গর্তের মালিক ছিলেন ততদিন সে প্রায়ই এই গভীর গর্তটির কাছে আসতেন। তিনি আরও বলেন, ১৯৮০ সালে এই গর্তের আশেপাশের সব মানুষ তাদের ময়লা-আবর্জনা যা কিছু ছিল সব দিক গর্তের ভিতরে ফেলত। এমনকি সেই বাসিন্দারা এই গর্তের মধ্যে তাদের পুরনো রেফ্রিজারেটর, পুরনো টায়ার, পুরনো ইলেকট্রনিক্সের অন্যান্য সব যন্ত্রপাতি এই গর্তের মধ্যে ফেলত। এই গর্তের আশপাশের সবাই ভাবত, এই গর্তের কোনো তলা নেই। অর্থাৎ এই গর্তটি ছিল অসীম।

কেননা সেখানকার সব বাসিন্দা যখন সেই গর্তের মধ্যে কিছু ফেলত, তখন সে সব জিনিসপত্র গর্তের মধ্যে পড়ার কোনো শব্দ আসতো না। সাধারণত অন্যান্য যেসব গভীর গর্ত থাকে সেগুলোর মধ্যে কোনো কিছু ফেললে তার একটি বিকট শব্দ হয়। তবে এই গর্তের মধ্যে কোনো কিছু ফেললে শব্দ আসতো না। তাই সব বাসিন্দারা ভাবতো এই গর্তের কোনো তলা নেই। এমনকি এই গর্তের উপর থেকে কোনো শব্দ করলে তার কোনো প্রতিধ্বনিও ফিরে আসত না। মানুষ ভাবতো যে, এটা হয়তোবা নরকের দরজা।