খেলা দিয়েই বিশ্ব পরিচিতি

ঢাকা, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১ | ৪ মাঘ ১৪২৭

খেলা দিয়েই বিশ্ব পরিচিতি

ডেস্ক রিপোর্ট ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৮, ২০২০

print
খেলা দিয়েই বিশ্ব পরিচিতি

বিশ্বে এমন কিছু দেশ আছে যা আয়তনে খুব ছোট, কারও আবার জনসংখ্যা খুবই কম। আবার কোনো দেশ এতই গরিব যে, মানচিত্রে থেকেও এরা এদের অস্তিত্ব দেখাতে পারে না। কিন্তু অবাক করা বিষয় হচ্ছে, বিশ্বকাপ-অলিম্পিকের মতো খেলায় অংশ নিয়ে চমক দিয়েই এসব দেশগুলোকে দুনিয়া চিনেছে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক সেইসব দেশগুলো সম্পর্কে-

ভানুয়াতু : দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের ছোট্ট দেশ ভানুয়াতুকে বিশ্ব চেনে ১৯৮৮ সিওল অলিম্পিক থেকে। ৮৩টি দ্বীপের সমন্বিত এই দেশটি সেবারই প্রথমবার অলিম্পিকে খেলতে এসেছিল। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে আনন্দে চোখের পানি ফেলেছিল সে দেশের চার অ্যাথলিট।

ভানুয়াতু-কেই বিশ্বের সুখীতম মানুষের দেশ বলা হয়। বিশ্ব এই দেশকে চেনে খেলার মাধ্যমেই। টোগো : পশ্চিম আফ্রিকার দেশ টোগোকে গোটা বিশ্ব চিনেছিল ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার পর।

নাউরু : দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র। এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন প্রজাতন্ত্র এবং একমাত্র দেশ যার কোনো রাজধানী নেই। সেই নাউরুকে দুনিয়া চেনে অলিম্পিকে খেলা দেশ হিসেবে।

টোঙ্গা : দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র। নিউজিল্যান্ডের প্রতিবেশী এই দেশটার নাম কেউ বা শুনেছিল। কিন্তু ১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিকে বক্সিংয়ে রুপো জিতে গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল টোঙ্গা। সেবার মাত্র পাঁচজন অ্যাথলিট পাঠিয়েই একটা অলিম্পিক পদক জিতেছিল টোঙ্গা।