ভাসমান মসজিদ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২১ | ১২ মাঘ ১৪২৭

ভাসমান মসজিদ

ডেস্ক রিপোর্ট ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০২০

print
ভাসমান মসজিদ

সমুদ্র যতটা সুন্দর হয় ঠিক ততটাই ভয়ানকও হয়। যতদূর চোখ যায় উত্তাল সমুদ্র, আর এই নীল সাগরের ঠিক মাঝ বরাবর ভেসে বেড়াচ্ছে অসম্ভব সুন্দর কারুকাজ করা একটি মসজিদ।

হ্যাঁ, পানিতেই ভাসছে সেটি। অদ্ভুত সুন্দর এই মসজিদটির অবস্থান মরক্কো উপকূলের মাঝ সাগরে। এই সুন্দর মসজিদটির নাম গ্র্যান্ড মস্ক হাসান-২ বা দ্বিতীয় হাসান মসজিদ।

এই মসজিদটি তৈরি করেছেন বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান। এটি অবস্থিত কাসাব্লাঙ্কা শহরে। দূরের কোনো জাহাজ থেকে মসজিদটিকে দেখলে মনে হবে যেন ঢেউয়ের তালে তালে দোল খাচ্ছে মসজিদটি। সে সঙ্গে মনে হবে পানির ওপর নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা।

এই মসজিদটিতে একসঙ্গে এক লাখ পাঁচ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের ভিতরের মানুষ ধারণক্ষমতা ২৫ হাজার জন আর বাইরের ধারণ ক্ষমতা ৮০ হাজার জন। ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা এই মসজিদটি নির্মাণের কাজ করেন।

এর নকশা তৈরি করেছিলেন মিশেল পিনচিউ নামের একজন ফরাসি স্থপতি। এটি মরক্কোর বৃহত্তম মসজিদ এবং পৃথিবী বৃহৎ মসজিদের তালিকায় এর অবস্থান ১৩তম। মসজিদটির তিনভাগের একভাগ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর অবস্থিত হওয়ায় এটি ভাসমান মসজিদ হিসেবেও পরিচিত।