হবিগঞ্জে হাসপাতাল থেকে নবজাতক গায়েব

ঢাকা, রবিবার, ২২ মে ২০২২ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

হবিগঞ্জে হাসপাতাল থেকে নবজাতক গায়েব

মো. সহিবুর রহমান, হবিগঞ্জ
🕐 ৫:২২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০২২

হবিগঞ্জে হাসপাতাল থেকে নবজাতক গায়েব

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল থেকে এক নবজাতক চুরি হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে হাসপাতালের স্ক্যানো ওয়ার্ড থেকে নবজাতকটি চুরি হয়। চুরি হওয়া নবজাতকটি জেলা শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মড়ুরা গ্রামের দেলওয়ার হোসেন ও ফেরদৌস আরা দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান।

নবজাতকের ফুফু নুরুন্নাহার বেগন জানান, সোমবার রাতে প্রসব যন্ত্রণা উঠলে ফেরদৌস আরাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে সে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। নবজাতকটি অসুস্থ্য হওয়ায় তাকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় স্ক্যানো ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এ সময় নবজাতকের মা নিচ তলায় গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধিন ছিলেন। তবে স্ক্যানো ওয়ার্ডে বাহিরে বসা ছিলেন তার ফুফু ও নানু।

সকাল ৯টার দিকে নবজাতকের ফুফু বাচ্চা আনতে স্ক্যানো ওয়ার্ডে গেলে দায়িত্বরত নার্স জানায় বাচ্চাকে তার বাবা নিয়ে গেছেন। অথচ ওই সময় নবজাতকের বাবা হাসপাতালেই ছিলেন না।

ঘটনার খবর পেয়ে নবজাতকের বাড়ি থেকে তার বাবা ও স্বজনরা হাসপাতালে আসেন। এ সময় হাসপাতালে উত্তেজনা দেখা দিলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।

নবজাতকের বাবা দেলওয়ার হোসেন বলেন, ‘তিনজন নার্স এবং ঝাড়ুদার মিলে আমার বাচ্চাকে গায়েব করে দিয়েছে। আমি খবর পেয়ে স্ক্যানো ওয়ার্ডে গেলে নার্স এবং ডাক্তার আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ভের করে দেয়। আমি আমার বাচ্চাকে ফেরত চাই।’

হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালের ত্বাবধায়ক ডা. আমিনুল হক সরকার বলেন- ‘মঙ্গলবার ৯টা ৫ মিনিটের দিকে আমাদের ওয়ার্ড থেকে একটা বাচ্চা চুরি হয়ে গেছে। আমি দায়িত্বরত সিস্টারের সাথে কথা বলছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন- বাচ্চা কান্নাকাটি করছিল। এ সময় একজন ব্যক্তি বাচ্চার বাবা পরিচয় দিয়ে বাচ্চাকে নিয়ে যান। পরে তারা দাবি করছেন বাচ্চাটি তারা নেননি।’

হবিগঞ্জ সদর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াকুব আলী বলেন- ‘সদর হাসপাতাল থেকে একটি নবজাতক চুরি হওয়ার খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে এসেছি। দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স এবং নবজাতকের স্বজনদের সাথে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্তের পরই মূল রহস্য জানা যাবে।’

 
Electronic Paper