পর্যটকদের নিরুৎসাহী করতে প্রজ্ঞাপন

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০ | ২৫ চৈত্র ১৪২৬

পর্যটকদের নিরুৎসাহী করতে প্রজ্ঞাপন

হৃদয় ইসলাম, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) ৭:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২০

print
পর্যটকদের নিরুৎসাহী করতে প্রজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৭ মার্চ পূর্ব ঘোষণা দিয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ সবার জন্য উন্মুক্ত করেছিল। এ সুযোগে গত মঙ্গলবার বিনামূল্যে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে নারী-পুরুষ, শিশু ও কিশোর মিলিয়ে হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটে।

পর্যটকরা আপন মনে ঘুরে বেড়ান লাউয়াছড়া উদ্যানের বিভিন্ন পাহাড়ি ট্রেইলে (সরু পথে) ও লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জির আবাসিক এলাকায়।

১৭ মার্চ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকায় সকাল থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এরপর গত বুধবার রাতে কমলগঞ্জ কমলগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্র লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর চা বাগান লেক, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ, হামহাম জলপ্রপাত, আদিবাসী খাসিয়া পুঞ্জি, মণিপুরি এলাকা ও চা বাগান এলাকা ভ্রমণে পর্যটকদের নিরোৎসাহী করা হয়েছে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপণ জারি করা হয়।

তবে লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জির হেডম্যান ফিলা পত্মী জানান, এখন যেহেতু করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সময় সেহেতু পর্যটকদের ভ্রমণ কিছু দিনের জন্য বন্ধ রাখা উচিত। করোনা ভাইরাস নিয়ে এমনিতেই খাসিয়া পরিবার সদস্যরা আতঙ্কিত। তারপরও উপজেলা প্রশাসন থেকে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরোৎসাহী করে প্রজ্ঞাপন জারি করায় তারা অনেক খুশি।

লাউয়াছড়া বনবিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিদিন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে শত শত পর্যটক ভ্রমণে আসতেন। এদের মধ্যে বিদেশি পর্যটকও আসেন। এদের কারা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত তা বোঝার উপায় নেই।

উপজেলা প্রশাসন থেকে পর্যটকদের নিরোৎসাহী করার প্রজ্ঞাপনের সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি আরও বলেন, এদিকে তারা সতর্কভাবে নজরদারি করছে। এ প্রজ্ঞাপনের পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান প্রায় পর্যটক শূন্য বলে দাবি করেন বনবিট কর্মকর্তা।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতামূলক এ ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় ইতোমধ্যেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।