গোদাগাড়ী মহাসড়ক যেন মরণফাঁদ

ঢাকা, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০ | ২৭ চৈত্র ১৪২৬

গোদাগাড়ী মহাসড়ক যেন মরণফাঁদ

শাহিনুল আশিক, রাজশাহী ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ০৪, ২০২০

print
গোদাগাড়ী মহাসড়ক যেন মরণফাঁদ

রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জের গোদাগাড়ী মহাসড়কটি মৃত্যুর কুপে পরিণত হয়েছে। সড়কটি গোদাগাড়ী উপজেলার ওপর দিয়ে দুই জেলার যোগাযোগ পথ। শুধু এই সড়কে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির চার দিনে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই ১০ জনের মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে গত শনিবার এই সড়কে দুর্ঘটনায় একই পারিবারের চারজনসহ আটজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে পুলিশ বলছেন, প্রাইভেটকারটিতে অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।

আর দুর্ঘটনার পরে ঘটনাস্থলে যাওয়া স্থানীয়রা বলছেন, ‘চালকের কানে হ্যাড ফোন ছিল।’ তবে সড়ক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সড়কটি প্রশস্থ নয়। এছাড়া উঁচু-নিচু। সড়কে বাঁক থাকার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারায় অনেক যানবাহন। এতে ঘটে প্রাণহানির ঘটনা।

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রাইভেটকারটিতে অতিরিক্ত যাত্রী? দুর্ঘটনার কারণ। গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি দেখে মনে হচ্ছে, দ্রুতগতিতে কারণে হতে পারে। রাজশাহী-গোদাগাড়ী সড়কে পুলিশের কয়েকটি চেকপোস্ট রয়েছে। সেখানে গাড়ির কাগজপত্র দেখা হয়। এই চেকপোস্টগুলোতে যানবাহনের সিট ক্যাপাসিটি দেখা হবে। প্রয়োজনে মামলাও দেওয়া হবে। সব মিলে ট্রাফিক আইন মেনে চললে দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে।

চলতি বছরের গত ২৬ জানুয়ারি বিজয়নগর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গোদাগাড়ীতে নসিমন উল্টে খাদে পড়ে শরীফুল ইসলাম নামে মাছ ব্যবসায়ী নিহত হন। নিহত শরীফুল উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের মান্ডইল গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। এ ঘটনায় নসিমন চালক লালন শেখ আহত হন।

গত ২৪ জানুয়ারি গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় আকরাম হোসেন নামে এক কলেজ শিক্ষক নিহত হন। এ দুর্ঘটনায় জকিম উদ্দিন নামে এক রিকশাচালকও আহত হন। ওসি খাইরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে।