ধান সংগ্রহে অনিয়ম

ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯ | ৬ ভাদ্র ১৪২৬

ধান সংগ্রহে অনিয়ম

হৃদয় ইসলাম, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) ৭:১৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০২, ২০১৯

print
ধান সংগ্রহে অনিয়ম

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সরকারিভাবে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার কথা ও সময়সীমা থাকার পরও তালিকাভুক্ত কৃষকদের ফিরিয়ে দিয়ে খাদ্যগুদামে ব্যবসায়ীদের ধান গ্রহণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ ও খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ মিলিতভাবেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সুবিধা গ্রহণে অনিয়মের করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান কিনছেন বলে বঞ্চিত কৃষক ও ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ করেছেন।

উপজেলার আদমপুর ইউপির তালিকাভুক্ত কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, ‘ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য তাদের ১৮ জনের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তারা ১৮ জন কৃষক ১৮ টন ধান খাদ্যগুদামে বিক্রি করার কথা।

তালিকা অনুযায়ী ১৮ জন আদমপুর ইউনিয়ন থেকে গেলে কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের ভানুগাছ খাদ্যগুদাম কর্র্তৃপক্ষ এ তালিকা থেকে ঘোড়ামারা গ্রামের কৃষক হেলাল মিয়া, ভানুবিল গ্রামের মুসলিম আলী ও আধকানী গ্রামের শাহাবুদ্দীনসহ ১০ জনের কাছ থেকে ১০৪০ টাকা মণ দরে ধান ক্রয় করেন। আর আট জনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফিরিয়ে দেওয়া আটজন কৃষকের বদলে নগদ সুবিধা গ্রহণ করে আটজন ব্যবসায়ীর কাজ থেকে ধান গ্রহণ করা হয়েছে।’

ভানুগাছ খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবিতা রানী দেব বলেন, ‘আদমপুরের তালিকাভুক্ত কৃষকরা ধান জমা করতে বিলম্ব করছিল। খাদ্য অধিদফতরের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে কৃষক আগে আসবে তাদের ধান গ্রহণ করা হবে। সে হিসেবে আদমপুরের পিছিয়ে পড়া আটজন কৃষকের স্থলে তালিকাভুক্ত আরও আটজন কৃষকের কাছ থেকে ৮ টন ধান কেনা হয়েছে।’

অভিযোগ সম্পর্কে কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘ধান ক্রয়ে কোনো অনিয়ম হয়নি। কৃষি মন্ত্রণালয়ের ধান গ্রহণের শেষ মেয়াদ ছিল ৩১ জুলাই। আদমপুরের কৃষকরা ধান জমা করতে বিলম্ব করছে দেখে বাদ পড়া আটজনের স্থলে নতুন করে আটজন কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে।’