বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা আসেনি চায়ের মান নিয়ন্ত্রণে

ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা আসেনি চায়ের মান নিয়ন্ত্রণে

মাহমুদ এইচ খান, মৌলভীবাজার ৯:১০ অপরাহ্ণ, জুন ২০, ২০১৯

print
বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা আসেনি চায়ের মান নিয়ন্ত্রণে

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চায়ের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছে। চিন তো আরও কত আগ থেকে চা শিল্পে নানা প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশে চা শিল্পের ১৬৫ বছরের ইতিহাসে চায়ের মান নির্ণয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের ব্যবহার করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠেছে।

জানা গেছে, আমাদের দেশের টি-টেস্টিং প্রক্রিয়াটি এখনও মান্ধাতার আমলের। বাংলাদেশ চা গবেষানা ইনস্টিটিউট ও বিভিন্ন কোম্পানির টি-টেস্টার রয়েছেন। তারা চায়ের লিকার করে সেটাতে মুখ দিয়ে তার গুনাগুন পরীক্ষা করেন।

সাধারণত একবার জিহ্বায় চা লাগলে সেই টেস্ট বহু সময় থেকে যায়। তাহলে এ সময়ের মধ্যে অন্য চা মুখের সেন্সর কাজে লাগিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব না। কারণ মানবদেহের মুখের সেন্সর চায়ের এই বিশেষত্বকে আলাদা করতে পারে না। এছড়াও সিন্ডিকেটধারী টি-টেস্টারদের দৌরাত্ম থাকায় চা বাগানের মালিকেরা নানা ভোগান্তিতে পড়ছেন। সিন্ডিকেট করে ভালো চা কে খারাপ আর খারাপ চা কে ভালো চা বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। টি টেস্টারের সিন্ডিকেটের কারণে অনেক বাগান চায়ের উৎপাদন খরচই পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন হামিদিয়া টি কোম্পানির জিএম সিরাজুল ইসলাম। এ সময় তিনি চা শিল্পের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য একটি আলাদা মন্ত্রণালয়ও দাবি করেন।

এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, চা মন্ত্রণালয় স্থাপন করে এসব সিন্ডিকেটসহ সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলে বাংলাদেশর চা আবার রফতানি হবে। এ থেকে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন হবে। চলমান বছরেও চায়ের উৎপাদন ১০০ মিলিয়ন কেজি ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ চা গবেষনা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে বলেন, সব ডিজিটাল পদ্ধতিতে হচ্ছে। এর পর ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।