বানভাসি ৪৩ হাজার পরিবারকে খাবার দিল ‘সিলেট এইড’

ঢাকা, শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২ | ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

বানভাসি ৪৩ হাজার পরিবারকে খাবার দিল ‘সিলেট এইড’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
🕐 ৭:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২২

বানভাসি ৪৩ হাজার পরিবারকে খাবার দিল ‘সিলেট এইড’

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় কবলিত সিলেট ও সুনামগঞ্জ। ভারতের পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে দুটি জেলা পুরোপুরি ডুবে গিয়েছিল বন্যার পানিতে। কারো ঘরে ছিল কোমর পানি, আবার কারো ঘরে বুক পানি। ফলে তীব্র খাবার সঙ্কটে পড়ে যায় এসব বানভাসি মানুষ। অভুক্ত এসব মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসে ‘সিলেট এইড’। অনাহারী মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয় সংগঠনটি।

গত এক সপ্তাহে প্রায় ৪৩ হাজার পরিবারকে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার তুলে দিয়েছে মানবতায় সেবায় নিয়োজিত এই সংগঠনটি। গত ২৪শে জুন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩২০টি পরিবারকে রান্না করা খাবার ও ১৭ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে। শুকনো খাবারের প্যাকেটে ছিল চিড়া, মুড়ি, গুড়, বিস্কুট, বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন। রান্না করা খাবারের মধ্যে ছিল- ভাত, ডাল, সবজি, খিচুড়ি।

সিলেট এইড-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আব্দুর রহমান খালেদের নেতৃত্বে একটি টিম এসব খাবার বিতরণ করেন। টিমের সদস্যরা হলেন, শাহ টিটু, তারেক আহমদ খজির, গোবিন্দ মালাকার, জাবেদ আহমেদ, মাহবুব আহমদ, রুকন, আকবর আহমদ, ইমরান আহমদ, শাজাহান, ফাহিম আহমেদ, এ কে রাজু, আর এস রাসেল, জয় দেবনাথ, সালমান আহমেদ, একরাম হুসেন, নুরি, সুহেদ আহমেদ, মেহেদি হাছান মামুন।

তারা সিলেট-সুনামগঞ্জের যেসব পয়েন্টে খাবার বিতরণ করেছেন সেগুলো হলো- মিরপুর, জগন্নাথপুর, কামালবাজার, সিলেটের বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা, রামসুন্দর রেসকিউ সেন্টার, কাদিপুর মেডিকেল রেসকিউ সেন্টার, সিলেট সদর, কান্দিগাঁও, গোয়াইনঘাট, ডাবর, ডেকর হাওর, টুকেরবাজার, সাতক, পাগলা বাজার, জগন্নাথপুরের ইউসুফপুর, কেনবাড়ী, পাটারিয়া, জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ সদর, বালাগঞ্জ, সাতক (হাবিবের জায়গা), মঈনপুর, দুলার বাজার, ওসমানীনগর, রোয়েল, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ।

সিলেট এইড-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আব্দুর রহমান খালেদ বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ধরে এতিম ও অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছে সিলেট এইড। এবার সিলেটে বন্যার শুরুর দিন শুক্রবার রাত থেকেই খাবার বিতরণ শুরু করি আমরা। এই পর্যন্ত প্রায় ৪৩ হাজার পরিবারকে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। আমরা আরও তিন হাজার পরিবারকে চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, লবণ বিতরণ করবো। তিনি আরও বলেন, আমাদের সংগঠন এতিমদের লেখাপড়া ও ভরণপোষণের খরচ, ঘর তৈরি করে দিচ্ছে। এছাড়া নারীদের স্বাবলম্বী করতে গরু-ছাগল, শেলাই মেশিন দিয়েছি। অসহায় মানুষদের হুইলচেয়ার, টিউবওয়েল, কম্বল দিয়েছি।

 
Electronic Paper