সেরা একাদশে নেই তামিম

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

সেরা একাদশে নেই তামিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক ১:৪৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২০

print
সেরা একাদশে নেই তামিম

তিনদলের বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শেষ হয়েছে। চলছে এবার এই তিন দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ। পারফরম্যান্সে কারা চমক দেখিয়েছেন কারা ব্যর্থ হয়েছেন, ক্রিকেটাঙ্গনে এখন এটি আলোচনার বিন্দু। সেই পারফরমারদের নিয়ে সেরা একাদশও গঠন করছেন অনেকে। অনলাইন পোটাল বিডিক্রিকটাইম সেরা একাদশও বাছাই করেছে। সেখানে স্থান পেয়েছে লিটন কুমার দাস, ইমরুল কায়েস, আফিফ হোসেন, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নূরুল হাসান (উইকেট রক্ষক), ইরফান শুক্কর, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন। এই তালিকায় রাখা হয়নি সিনিয়র এবং জুনিয়র দুই তামিমকেই। 

এ তালিকাটি মূলত পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। লিটন তিন ম্যাচে করেছেন ১১১ রান। ওপেনারদের মধ্যে যা কিনা সর্বোচ্চ। ফাইনাল ম্যাচে তিনি করেছে সর্বোচ্চ ৬৮ রান। বাকি ওপেনাররা সুবিদা আদায় করতে পারেননি। তার সঙ্গে ওপেনিংয়ে রাখা হয়েছে ইমরুল কায়েসকে। গত পাঁচ ইনিংসে তার সংগ্রহে ১৪৬ রান। প্রেসিডেন্টস কাপে মাত্র এক ম্যাচে ওপেনিং করলেও বাকি ওপেনারদের ব্যর্থতার মিছিলে তাকেই ওপেনার হিসেবে বেছে নিচ্ছে বিডিক্রিকটাইম।

এরপর ওয়ান ডাউনে রাখা হয়েছে আফিফ হোসেন ধ্রুবকে। নাজমুল একাদশের হয়ে ব্যাট হাতে বেশ দ্যুতিই ছড়িয়েছেন। গত পাঁচ ম্যাচে ১৫৭ রান করেছেন আফিফ। তারপরেই রয়েছে মুশফিকের নাম। টুর্নামেন্টের সবচে সফল ব্যাটসম্যান হলেন তিনি। ব্যাট হাতে হাঁকিয়েছেন একটি সেঞ্চুরি এবং দুইটি ফিফটি। পাঁচ ইনিংসে করেছেন সবচে বেশি ২১৯ রান। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ছিল ১০৩ রান।

এই একাদশের অধিনায়ক হিসেবে রাখা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নাম। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে দলনেতা হিসেবে সবচেয়ে সফল ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। শুধু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন নয়, ব্যাট হাতেও সমানতালে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। পাঁচ ইনিংসে করেছেন ২২৯ রান। নামের পাশে রয়েছে দুইটি ফিফটিও। এ ছাড়াও বল হাতে পেয়েছেন দুইটি উইকেট। নুরুল হাসান উইকেটের পেছনে সর্বাধিক ক্যাচের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও সফল ছিলেন। চার ইনিংসে করেছেন ১০৮ রান।

ইরফান শুক্কুর ছিলেন গুড ফিনিশার। সেরা রান সংগ্রাহকের তালিকায় মুশফিকের পরেই রয়েছেন তিনি। পাঁচ ইনিংসে করেছেন ২১৪ রান। যা কিনা টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এরপর মেহেদি হাসান স্পিনারদের মধ্যে হাত ঘুরানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতেও রান পেয়েছেন এ ক্রিকেটার। চার ইনিংসে পেয়েছেন দুইটি উইকেট এবং করেছেন ১০৬ রান। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৮২ রান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন টুর্নামেন্টে বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন। চার ম্যাচে পেয়েছেন ১২টি উইকেট। এমনকি বল হাতে পাঁচ উইকেটও পেয়েছেন একবার। ব্যাট হাতে করেছেন ৬৩ রান।

তারপরেই তাসকিন আহমেদ ছিলেন বল হাতে সফল। তিনি বল হাতে দলকে শুরুতে এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট এনে দিয়েছেন। পাঁচ ম্যাচে পেয়েছেন ৭ উইকেট। কাটার মুস্তাফিজুর রহমান বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কিপটে বোলার ছিলেন। ৩.৫৭ ইকোনমিতে পেয়েছেন ৮টি উইকেট। অন্যদিকে দাদশ খেলোয়াড় হিসেবে রুবেলের নাম রাখা হয়েছে।

যদিও তিনি বল হাতে বেশ গর্জে উঠেছিলেন। পাঁচ ইনিংসে নিয়েছেন ১২ উইকেট। তবে নির্বাচিত একাদশে জায়গা হারিয়েছেন বাকি তিন পেসারের কাছে। যার কারণে রুবেলকে রাখা হয়েছে ১২তম সদস্য হিসেবে।