তবুও আস্থা মুশফিকে

ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ | ১৩ কার্তিক ১৪২৭

তবুও আস্থা মুশফিকে

ক্রীড়া প্রতিবেদক ৩:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২০

print
তবুও আস্থা মুশফিকে

বিসিবি আয়োজিত প্রেসিডেন্টস কাপের তিন ম্যাচ শেষ। আজ মাঠে গড়াচ্ছে চতুর্থ ম্যাচ। তামিম ইকবাল একাদশের বিপক্ষে লড়বেন নাজমুল হোসেন শান্তর একাদশ। তামিম একাদশের ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচ। অন্যদিকে এগিয়ে যাবার সুযোগ নাজমুল হোসেন শান্ত একাদশের। পারবে কি তারা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে? মাঠের লড়াইয়ের আগে এমন প্রশ্ন উঠাই স্বাভাবিক। তারও আগে প্রশ্ন ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং নৈপুণ্য নিয়ে। ব্যাটসম্যানদের যে হাল তাও এক ধরনের শঙ্কার জায়গা। এখনো পর্যন্ত ব্যাটসম্যানরা পারেননি নিজেদের জাত চেনাতে।

শান্ত একাদশের মূল ভরসার জায়গাটা হচ্ছে বাংলাদেশ ডিফেন্ডবল মুশফিকুর রহিম।

যদিও ম্যাচ জেতানোর জন্য ব্যাটসম্যানরা অনেক বড় ভরসার জায়গা। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থতার জাল ছিড়ে বেরিয়ে আসবেন। ব্যার্থতা কাটিয়ে উঠবেন শান্ত একাদশের মূল ভরসায় থাকা মুশফিকুর রহিমও। তরুণ সমৃদ্ধ দলটির অভিজ্ঞতা বলতে মুশফিকই। তাইতো প্রথম ম্যাচে খারাপ করা (১ রান) শর্তেও মুশফিকেই আস্থা রাখছেন দলের তরুণ সতীর্থরা।

উদ্বোধনী ম্যাচে শান্ত একাদশের বিজয়ের নায়ক তৌহিদ হৃদয় শুনিয়েছেন মুশফিকের ওপর থাকা এই আস্থার কথা। তার বিশ্বাস মুশফিক দুঃসময় কাটিয়ে উঠবেন দ্রুত।
তিনি বলেন,‘‘বড় ম্যাচে’ ঠিকই জ্বলে উঠবে মুশফিক। আমাদের দলে দেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিক ভাই আছে। উনি বাংলাদেশের ডিপেন্ডেবল। উনার মত খেলোয়াড় দলে থাকায় আমরা অনেক প্রেরণা পাই। আশা করি মুশফিক ভাই খুব তাড়াতাড়ি ভালো ইনিংস খেলবে। বড় খেলোয়াড়, বড় ম্যাচেই রান করবেন ইনশাআল্লাহ্?। আমরাও ইনশাআল্লাহ্? ভালো কিছু করব।’

নিজের দলের অবস্থান নিয়ে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই তরুণ ক্রিকেটার আরও বলেন,‘আমাদের দলের সবচেয়ে সেরা দিক বললে বলব ফিল্ডিংয়ের কথা। মাঠে সবাই খুব একটিভ থাকে, নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে বল সামলানোর চেষ্টা করে। আমাদের বেশির ভাগই তরুণ, তাই সবাই নিজের দিক সম্পর্কে সচেতন।’

প্রতিপক্ষ তামিম একাদশ সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন,‘তামিম ভাইরা অনেক শক্ত প্রতিপক্ষ। মুস্তাফিজ ভাই আছে, আরও ভালো ভালো বোলার আছে। মাঠে গিয়ে কীভাবে নিজেদের কাজ ঠিকমত করতে পারব সেদিকে মনোযোগ রাখছি।’

গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে হৃদয় আরও বলেন, ‘যেখানেই খেলি না কেন সবসময় চাই যেন মানসম্পন্ন ও কঠিন বোলারকেই মোকাবেলা করি। এতে আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়। এই টুর্নামেন্টে নিজেকে আরও হাইলাইট করতে চাই। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরে ভালো লাগছে।’