খুলনাকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী

ঢাকা, শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৭ ফাল্গুন ১৪২৬

খুলনাকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী

খেলা প্রতিবেদক ৯:০৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০২০

print
খুলনাকে ১৭১ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী

আগের ম্যাচেও দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন। এবার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সঙ্গে টি-টোয়েন্টির বিনোদনটাও দিলেন ইরফান শুক্কুর। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ভর করেই খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করিয়েছে রাজশাহী রয়্যালস। অর্থাৎ শিরোপা জিততে হলে খুলনাকে করতে হবে ১৭১ রান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য তেমন ভালো ছিল না রাজশাহীর। লিটন দাসের সঙ্গে আফিফ হোসেনের ১৫ বলের উদ্বোধনী জুটিতে আসে মাত্র ১৪ রান। ৮ বলে ১০ রান করে আফিফ শিকার হন মোহাম্মদ আমিরের। তবে মেহেদী হাসান মিরাজ দৌড়ে এসে যেভাবে ক্যাচটি নিয়েছেন, আসল কৃতিত্বটা দিতে হবে তাকেই।

সঙ্গী হারিয়ে সাবধান হয়ে যান লিটন। খেলছিলেন দেখেশুনে, ঠিক টি-টোয়েন্টির আমেজ ছিল না তার ব্যাটে। শুক্কুরের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ রানের জুটি গড়ে লিটন সাজঘরে ফেরেন ২৮ বলে ২৫ রান করে।

এরপর শোয়েব মালিকও সুবিধা করতে পারেননি। ১৩ বল খেলে মাত্র ৯ রানে রবি ফ্রাইলিংককে তুলে মারতে গিয়ে শান্তর ক্যাচ হন। তবে অপরপ্রান্তে নিজের হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন শুক্কুর। দারুণ ব্যাটিংয়ে এগিয়ে চলা এই ব্যাটসম্যানকে অবশেষে থামান আমির। ৩৫ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় শুক্কুর করেন ৫২ রান।

পরের সময়টায় চালিয়ে খেলে দলের পুঁজি বড় করেছেন আন্দ্রে রাসেল আর মোহাম্মদ নওয়াজ। শহীদুলের করা ১৭তম ওভারে অবশ্য লংঅনে ক্যাচ দিয়েছিলেন রাসেল। ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার তখন মাত্র ৯ রানে। সেই ক্যাচটি দৌড়ে এসে হাতে নিয়েও ফেলে দেন শান্ত।

শেষ পর্যন্ত রাসেল ১৬ বলে ৩ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ২৭ রানে। তার চেয়ে বেশি ভয়ংকর ছিলেন মোহাম্মদ নওয়াজ। পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান ২০ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৪১ রানের ইনিংস।

খুলনার পক্ষে ২টি উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির। একটি করে উইকেট রবি ফ্রাইলিংক আর শহীদুল ইসলামের।

রাজশাহী একাদশ
লিটন দাস, আফিফ হোসেন, ইরফান শুক্কুর, অলক কাপালি, শোয়েব মালিক, আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, ফরহাদ রেজা, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আবু জায়েদ রাহি, মোহাম্মদ ইরফান।

খুলনা একাদশ
নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, রাইলি রুশো, শামসুর রহমান শুভ, মুশফিকুর রহীম (অধিনায়ক), নাজিবুল্লাহ জাদরান, রবি ফ্রাইলিংক, মোহাম্মদ আমির, শফিউল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, তানভীর ইসলাম।