ফিরতে মরিয়া খালেদ

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ | ৩ কার্তিক ১৪২৬

ফিরতে মরিয়া খালেদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

print
ফিরতে মরিয়া খালেদ

বাংলাদেশ জাতীয় দলে জায়গা পেয়েছিলেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। কিন্তু জায়গাটা ধরে রাখতে পারেননি এই পেসার। নির্বিষ বোলিংয়ের সঙ্গে ইনজুরি তার দুঃসময় বাড়িয়ে দিয়েছে। ক্রিকেটাররা যখন জাতীয় লিগের জন্য শেষ সময়ের প্রস্তুতির জন্য ঘাম ঝরাচ্ছেন তখন ইনজুরির সঙ্গে লড়ছেন খালেদ। পুরোপুরি ফিট হয়ে আগামী ডিসেম্বরে হতে যাওয়া বিপিএল দিয়ে মাঠে ফিরতে চান সিলেটের এই পেসার।

মুম্বাইয়ে গত জুলাইয়ে খালেদের হাঁটুর মিনিসকাসে অস্ত্রোপচার করানো হয়। মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি মাঠে ফিজিও বায়েজিদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে শুরু করেছেন পুনর্বাসনের কাজ।

জানালেন, অস্ত্রোপচারের ধাক্কা সামলে ক্রমশ ফিরে পাচ্ছেন নিজেকে, ‘এখন রিহ্যাবে আছি, এর শেষ বলতে কিছু নেই। ভালো হয়ে গেলেও এটা চালিয়ে যেতে হবে। এখন ৭০ ভাগ ঠিক আছি। বায়েজিদ ভাইয়ের অধীনে আছি। উনি যা পরামর্শ দিচ্ছেন তাই করছি। রিহ্যাবের অংশ হিসেবে স্যান্ড পিটে কাজ করছি, জিম করছি, রানিং, ওয়েট লিফটিং, স্কোয়াট মারছি, লেগ প্রেস এগুলাই করছি।’

খালেদ মাঠের খেলায় ইনজুরিতে পড়েননি। তার চোটে পড়ার ধরনটা একটু অদ্ভুতই। কাল প্রচার মাধ্যমকে খালেদ বলেছেন, ‘রোজার মাসে ক্যাম্প ছিল। সেটা শেষ করে ঈদের আগের দিন ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেখানে টিভি দেখতে বসে পায়ে টান লাগে, তখন পা সোজা করতে গিয়ে জোরেই মেরে বসেছিলাম। তখনই চোটটা পাই।’

মিরপুর একাডেমি মাঠে খালেদের সঙ্গে গল্প করতে দেখা গেল খুলনার পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। এখন পর্যন্ত দুটি টেস্ট খেলে সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ২৭ বছর বয়সী খালেদ। তিন ইনিংসে বোলিং করে পাননি উইকেট। ভেবেছিলেন জাতীয় লিগে বোলিং নিয়ে কাজ করে ফিরবেন আরও ধারালো হয়ে।

ম্যাচের পর ম্যাচ বাইরে থাকাটা পোড়াচ্ছে তাকে, ‘সেটা তো অবশ্যই হতাশার, অনেক দিন ধরেই মাঠের বাইরে আছি। শুধু এনসিএল না, ‘এ’ দলের খেলা মিস করছি, জাতীয় দল, এসব মিস যাচ্ছে। সমস্যা নেই, যদি ভালো খেলতে পারি তাহলে আবার ফিরতে পারব। নভেম্বরের শেষের দিকে আমাকে ছাড়পত্র দেবে, আশা করছি এর মধ্যে পুরোপুরি সেরে উঠতে পারব। এরপর বোলিং শুরু করব। বিপিএল দিয়ে ফেরার আশা করছি।’