ফাইনালে যেতে টাইগারদের লক্ষ্য ২৪৮ রান

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ | ১ শ্রাবণ ১৪২৬

ফাইনালে যেতে টাইগারদের লক্ষ্য ২৪৮ রান

খেলা ডেস্ক ৭:২৪ অপরাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৯

print
ফাইনালে যেতে টাইগারদের লক্ষ্য ২৪৮ রান

বাংলাদেশ বোলারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ ম্যাচেও দলীয় সংগ্রহ খুব বেশি বড় করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশের বোলাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হাত খুলে খেলতে দেননি। আতঙ্কের নাম শাই হোপ টাইগারদের বিপক্ষে টানা চতুর্থ সেঞ্চুরি বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান করতে সমর্থ হয় ক্যারিবীয়রা।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ঝড়ো সূচনা করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিশেষ করে ওপেনার সুনিল এমব্রিস ছিলেন বেশি ভয়ংকর। অবশেষে ভয়ংকর হয়ে উঠা এই ওপেনারকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে উদ্বোধনী জুটিটি ভাঙেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

উদ্বোধনী জুটিতে এমব্রিস আর শাই হোপ তুলেন ৩৫ বলে ৩৭ রান। এমব্রিস ১৮ বলেই ৪ বাউন্ডারিতে করে ফেলেছিলেন ২৩ রান। ষষ্ঠ ওভারে এসে মাশরাফি তাকে সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানিয়েছেন। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ এক ক্যাচ নেন স্লিপে দাঁড়ানো সৌম্য।

এরপর ড্যারেন ব্রাভোকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩ বলে মাত্র ৬ রান করেন এই ব্যাটসম্যান। তৃতীয় উইকেটে রস্টন চেজকে নিয়ে আবারও প্রতিরোধের চেষ্টা হোপের।

৩৩ রানের এই জুটিটি ভাঙেন মোস্তাফিজুর রহমান। মিড উইকেটে ক্যাচটা প্রায় ছুটে যাচ্ছিল। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় মাহমুদউল্লাহ সেটি তালুবন্দী করেন। ১৯ রান করেন চেজ।

ক্যারিবীয় ইনিংসে চতুর্থ আঘাতটিও হানেন মোস্তাফিজই। জোনাথান কার্টারকে ৩ রানে এলবিডব্লিউ করেন বাঁহাতি কাটার মাস্টার। ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

মাঝে বাংলাদেশি বোলারদের বিপক্ষে রান তুলতে রীতিমত ঘাম ঝরছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। টানা ১০৩ বল বাউন্ডারির দেখা পায়নি ক্যারিবীয়রা।

সৌম্য সরকারের করা ইনিংসের ৩০তম ওভারে এসে সেই খরা কাটান জেসন হোল্ডার। ওভারের চতুর্থ বলে একটি চার মারেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক, পরের বলে মেরে দেন আরেকটা।

হোল্ডার আর হোপ মিলেই ক্যারিবীয়দের বড় লজ্জা থেকে বাঁচান। পঞ্চম উইকেটে তারা গড়েন ১০০ রানের জুটি। আরেকটি সেঞ্চুরির পথেই যাচ্ছিলেন হোপ। অবশেষে তাকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান মাশরাফি। ১০৮ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৮৭ রান করেন এই ওপেনার।

সঙ্গী হারিয়ে হোল্ডারও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। একইভাবে মাশরাফির বলে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহীমের কাছে ক্যাচ হন ৭৬ বলে ৬২ রানে থাকার সময়।

এরপর ফ্যাবিয়েন অ্যালেনকে (৭) এলবিডব্লিউ করেন সাকিব। অ্যাশলে নার্স (১৪) আর রেমন রেইফারকে (৭) দুর্দান্ত দুই ডেলিভারিতে ফেরান মোস্তাফিজ।

সবমিলিয়ে ৯ ওভারে ৪৩ রান খরচায় কাটার মাস্টার নেন ৪টি উইকেট। ১০ ওভারে ৬০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন মাশরাফি। একটি করে উইকেট সাকিব আল হাসান আর মেহেদী হাসান মিরাজের।