সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে গম্ভির

ঢাকা, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে গম্ভির

ক্রীড়া প্রতিবেদক ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৫, ২০১৮

print
সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে গম্ভির

ভারতের সাবেক ওপেনার গৌতম গম্ভির সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি খেলেছেন ২০১৬ সালে। রাজকোটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে। ওয়ানডে থেকে বিদায় নিয়েছেন ২০১৩ সালেই। কিন্তু আইপিএলসহ ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাট হাতে দেখা গেছে তাকে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে জিতেছেন আইপিএলের শিরোপাও।

যদিও সর্বশেষ আসরে খেলেছেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে। সেই অভিজ্ঞতা অবশ্য খুব সুখকর ছিল না ৩৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের। অবশেষে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের ঘোষণাই দিয়ে ফেললেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য গম্ভির। ফলে ফিরোজ শাহ কোটলায় রঞ্জি ট্রফির আসন্ন দিল্লি বনাম অন্ধ্র প্রদেশ ম্যাচই হতে যাচ্ছে তার শেষ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ম্যাচ।

টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে—দুই ফরম্যাটেই ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন গম্ভির। গতকাল নিজের বিদায়ী বার্তায় ভারতের হয়ে ১১টি ওয়ানডে সেঞ্চুরির মালিক বলেছেন, ২০১৬ সালের শেষ টেস্টে আগে থেকেই তার মনে হচ্ছিল এবার শেষ করা উচিত। কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি গভীর ভালবাসা ও নেশা তাকে ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে ধরে রেখেছিল। গতবার যখন আইপিএলে টানা ছ’টি ম্যাচে ব্যর্থ হন, তখনই ঠিক করে নেন এ বার সত্যিই অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসে গিয়েছে।

গম্ভির বলেছেন, ‘অবসরের ভাবনাটা গত কয়েক মাসে প্রতিপক্ষের বোলারের মতো আমাকে জ্বালিয়েছে। বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল কথাগুলো— তোমার সময় শেষ গৌতি। মাঠে নেমেও মনের এই কথা শুনেছি। বারবারই মন একই কথা বলে গেলেও আমি যেন শুনেও শুনতে চাইনি। শরীরের ওপর অত্যাচার করেছি। ভালবাসা মাঝেমধ্যে স্টেরয়েডের মতো কাজ করে। তাই গত মৌসুমেও ভেবেছিলাম, ফের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ক্রিকেট চালিয়ে যাব। তখন মনে হয়েছিল মন হয়তো আর সেই কথাগুলো বলবে না। কিন্তু আইপিএলে ছ’টা ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পরে ফের মনে হল, আবার শুনতে পাচ্ছি সেই কথাগুলো, এ বার আরও জোরে। বুঝলাম সত্যিই সময় এসে গিয়েছে।’

মুম্বাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০০৪ সালে টেস্ট অভিষেক হয় গম্ভিরের। এ সংস্করণে ৯টি সেঞ্চুরি নিয়ে তার মোট রান ৪১৫৪, সেরা ইনিংস ২০৬। অবশ্য ওয়ানডে অভিষেকটা হয় তার আগের বছর, ২০০৩ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঢাকায়। ১৪৭ ওয়ানডেতে তার মোট রান ৫২৩৮।