রবীন্দ্রনাথের দণ্ড বিধান

ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

গল্পগুলো বিখ্যাতদের

রবীন্দ্রনাথের দণ্ড বিধান

ডেস্ক রিপোর্ট ১০:১৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১১, ২০১৮

print
রবীন্দ্রনাথের দণ্ড বিধান

শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক বিধুশেখর শাস্ত্রীকে রবীন্দ্রনাথ একবার লিখে পাঠালেন, ‘আজকাল আপনি কাজে অত্যন্ত ভুল করছেন। এটা খুবই গর্হিত অপরাধ। এ জন্য আগামীকাল বিকালে আমি আপনাকে আমি দণ্ড দেব।’ গুরুদেবের এমন কথায় শাস্ত্রী মশাই তো একেবারে অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন। এমনকি অন্যায় তিনি করে বসলেন যার জন্য তার দণ্ড প্রাপ্য? চিন্তিত ও শঙ্কিত শাস্ত্রী মশাই নির্ঘুম রাত কাটালেন। পরদিন উপস্থিত হলেন কবিগুরর দরবারে।

তখনো তাকে বেশকিছু ক্ষণ উৎকণ্ঠার মধ্যেই বসিয়ে রাখেন কবিগুরু। অবশেষে পাশের ঘর থেকে একটি মোটা লাঠি হাতে বেরিয়ে এলেন রবীন্দ্রনাথ। শাস্ত্রী মশায়ের তখন যা দশা তা আমরা এখানে বসেই কল্পনা করতে পারছি। ভয়ে তার কাণ্ডজ্ঞান লুপ্তপ্রায়। তিনি তখনো বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, কি ঘটতে যাচ্ছে।

ওদিকে কবিগুরু যে স্বয়ং এবং লাঠি তার হাতে-নিজের চোখকে তিনি অবিশ্বাস করবেন কি করে! ভাবলেন, এবার সারা, এ বুঝি লাঠিটা তার মাথায় পড়ল। কবিগুরু এগিয়ে এলেন। শাস্ত্রী মহোদয়ের দিকে লাঠিটি বাড়িয়ে ধরে বললেন, ‘এ নিন আপনার দণ্ড! সেদিন যে এখানে ফেলে গেছেন, তা একদম ভুলে গেছেন আপনি!’